আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধে অধ্যাদেশ জারি হতে যাচ্ছে
- আপডেট সময় : ০২:০৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
- / ২০৭৬ বার পড়া হয়েছে
বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’কে আইনে পরিণত করার প্রস্তাব করছে। এর মাধ্যমে শাস্তির বিধানও যুক্ত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপি বলেছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা তাদের পক্ষে নয়, এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। তবে সরকার গঠনের পর একই অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে অধ্যাদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে।
সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের ১১ মে এই ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’ জারি করে। অধ্যাদেশে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধন করা হয় এবং গত বছর আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ছাত্রলীগকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিএনপি, এনসিপি ও অন্যান্য দলগুলি যমুনায় অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়। সেই অনুযায়ী জরুরি বৈঠকে অধ্যাদেশ সংশোধন করা হয়, যাতে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যায়। তবে ওই সময়ে কোনো শাস্তির বিধান থাকেনি।
বর্তমানে সংসদের ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করেছে। সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আইন অমান্য করলে শাস্তির বিধান সংযুক্ত করা যেতে পারে।
অধ্যাদেশ কার্যকর থাকায় আওয়ামী লীগ মিছিল, সমাবেশ, কার্যালয় খোলা, ব্যাংক হিসাব পরিচালনা, পোস্টার-ব্যানার প্রচার, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া ও সংবাদ সম্মেলন করতে পারছে না। আইনে শাস্তি ধারা সংযুক্ত হলে এসব কার্যক্রমের জন্য ৪ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুর রহমান জানিয়েছেন, দল বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চায় না, তবে আইনগত প্রয়োজনে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং যেখানে প্রতিবাদ প্রয়োজন, সেখানে তা করা হবে।




























