ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্যামনগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে সংখ্যালঘুর জমি দখল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেন হবে, সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী জানান, মহাসড়কের উন্নয়ন ও পদুয়াবাজার এলাকার যানজট নিরসনে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যমান বাজেট সমন্বয় করে পদুয়াবাজারের ওভারপাস সম্প্রসারণের নকশা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এ কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যা ওই এলাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি তিনটি নতুন আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পদুয়াবাজারের ইউ-লুপ সংলগ্ন বিদ্যমান ইন্টারসেকশনের অধীনে আরও দুটি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হবে।

এর ফলে ওই এলাকায় মোট পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বর্তমানে দ্রুতগতিতে বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। এরপর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপস্থাপনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানান মন্ত্রী।

সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হচ্ছে, তবে এর বাইরে বড় ধরনের পরিবর্তন সম্ভব নয়। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সচিব ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেন হবে, সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী জানান, মহাসড়কের উন্নয়ন ও পদুয়াবাজার এলাকার যানজট নিরসনে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যমান বাজেট সমন্বয় করে পদুয়াবাজারের ওভারপাস সম্প্রসারণের নকশা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এ কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যা ওই এলাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি তিনটি নতুন আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পদুয়াবাজারের ইউ-লুপ সংলগ্ন বিদ্যমান ইন্টারসেকশনের অধীনে আরও দুটি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হবে।

এর ফলে ওই এলাকায় মোট পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বর্তমানে দ্রুতগতিতে বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। এরপর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপস্থাপনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানান মন্ত্রী।

সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হচ্ছে, তবে এর বাইরে বড় ধরনের পরিবর্তন সম্ভব নয়। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সচিব ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।