ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া


মো: ফয়সাল আলম | চাঁদপুর
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / ২০৭৩ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোচিং বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যেই কলেজ-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়ার নাম সামনে আসায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার এক অফিস আদেশে দেখা যায়, অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ওএসডি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয় এবং পরে ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

এদিকে কলেজটিকে ঘিরে প্রকাশিত একটি লিখিত অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কোচিং, ব্যবহারিক পরীক্ষা, ফরম পূরণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

 

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্দিষ্ট কোচিংয়ে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অংশগ্রহণ না করলে পরীক্ষায় অসুবিধার আশঙ্কা দেখানো হতো। কয়েকজন শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

 

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কলেজে এ ধরনের অভিযোগ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।

 

তবে অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া বা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

 

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মত দেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

 

 

 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোচিং বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যেই কলেজ-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়ার নাম সামনে আসায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার এক অফিস আদেশে দেখা যায়, অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ওএসডি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয় এবং পরে ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

এদিকে কলেজটিকে ঘিরে প্রকাশিত একটি লিখিত অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কোচিং, ব্যবহারিক পরীক্ষা, ফরম পূরণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

 

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্দিষ্ট কোচিংয়ে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অংশগ্রহণ না করলে পরীক্ষায় অসুবিধার আশঙ্কা দেখানো হতো। কয়েকজন শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

 

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কলেজে এ ধরনের অভিযোগ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।

 

তবে অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া বা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

 

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মত দেন তারা।