ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর ৮৬ শতাংশ বাণিজ্যিক ভবনে নেই অনুমোদিত পার্কিং, যানজটের অন্যতম কারণ অবৈধ দখল


নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / ২১২৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী ঢাকার বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অধিকাংশেই অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পার্কিং সুবিধা নেই। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাম্প্রতিক বিশেষ অভিযানে দেখা গেছে, পরিদর্শন করা বাণিজ্যিক ভবনের প্রায় ৮৬ শতাংশে অনুমোদিত পার্কিং ব্যবস্থা অনুপস্থিত অথবা পার্কিং স্পেস দখল করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে নগরীর সড়কগুলোতে যানবাহন পার্কিংয়ের চাপ বাড়ছে এবং তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

রাজউকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর মোট ২ হাজার ৬৩৭টি ভবন পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে মাত্র ৩৬৩টি ভবনে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পার্কিং সুবিধা পাওয়া গেছে, যা মোট ভবনের মাত্র ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বাকি ৮৬ দশমিক ২৩ শতাংশ ভবনে পার্কিং সুবিধা নেই অথবা তা অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

রাজউকের পরিদর্শন তালিকায় গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া এলাকার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মালিকানাধীন চারটি মার্কেটও ছিল। এগুলো হলো—ঢাকা ট্রেড সেন্টার, গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-১ এবং ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২।

নকশা অনুযায়ী এসব ভবনের বেজমেন্ট পার্কিং হিসেবে ব্যবহারের কথা থাকলেও বাস্তবে সেখানে দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ডিএসসিসির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-১-এর বেজমেন্টে স্থায়ী দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি এখনও নির্মাণাধীন গুলিস্তান ট্রেড সেন্টারের বেজমেন্টেও দোকান বরাদ্দ ও নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২-এর তিনটি ভবনের বেজমেন্ট কয়েক বছর আগে উদ্ধার করা হলেও সেখানে আবারও দোকান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় গুলিস্তান এলাকার ব্যস্ত সড়কগুলোতে ট্রাক, পিকআপ ও অন্যান্য যানবাহন দাঁড় করিয়ে মার্কেটের মালামাল ওঠানামা করা হয়। এতে সড়কের একটি বড় অংশ দখল হয়ে যায় এবং সারাদিনই যানজট লেগে থাকে। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত রাজউকের ৪৪টি বিশেষ টিম রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। গুলশান, বনানী, তেজগাঁও, প্রগতি সরণি, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, পান্থপথ, কারওয়ান বাজার, পল্টন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা এ অভিযানের আওতায় আনা হয়।

পরিদর্শনে দেখা যায়, ৫৩২টি ভবনের পার্কিং এলাকা কোনো না কোনোভাবে ব্যবহৃত হলেও এক হাজার ৬৮টি ভবনে পার্কিং স্পেসে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া ২১৬টি ভবনে অস্থায়ী কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ৪৫৮টি ভবন কোনো অনুমোদিত নকশা দেখাতে পারেনি এবং এসব ভবনেও পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর ক্রমবর্ধমান যানজট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জানানো হয়, অনেক ভবনের অনুমোদিত পার্কিং স্পেস অবৈধভাবে দোকান, গুদাম কিংবা অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সড়কে গাড়ি পার্কিং বেড়ে গিয়ে যানজট তীব্র আকার ধারণ করছে।

বৈঠকে রাজউককে রাজধানীর সব বাণিজ্যিক ভবনের পার্কিং পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজউক সূত্র জানায়, পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে বিদ্যমান ১ হাজার ৮০০টি পার্কিংয়ের মধ্যে ১ হাজার ১৫০টি কমানোর জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠকে সেই আবেদন নাকচ করা হয় এবং অনুমোদিত পার্কিং অক্ষুণ্ন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংশোধিত নকশা জমা দিলেও তা বিধি অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে।

পার্কিং স্পেসে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণে রাজউক চারটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে গত ১৫ এপ্রিলের মধ্যে স্বেচ্ছায় স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়। এরপর ১৬ এপ্রিল থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে রাজধানীর ১৬টি বহুতল ভবনের ১৩১টি পার্কিং স্পেস থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে।

রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক ভবনের পার্কিংসংক্রান্ত অনিয়ম দূর করতে আরও প্রায় চার মাস সময় লাগতে পারে। এ কার্যক্রম শেষ হলে রাজধানীর আবাসিক ভবনগুলোতেও একই ধরনের চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে।

রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “রাজধানীর যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস দখলমুক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেসব ভবনের পার্কিং এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। ভবনের সংখ্যা অনেক হওয়ায় একযোগে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

রাজধানীর ৮৬ শতাংশ বাণিজ্যিক ভবনে নেই অনুমোদিত পার্কিং, যানজটের অন্যতম কারণ অবৈধ দখল

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

রাজধানী ঢাকার বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অধিকাংশেই অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পার্কিং সুবিধা নেই। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাম্প্রতিক বিশেষ অভিযানে দেখা গেছে, পরিদর্শন করা বাণিজ্যিক ভবনের প্রায় ৮৬ শতাংশে অনুমোদিত পার্কিং ব্যবস্থা অনুপস্থিত অথবা পার্কিং স্পেস দখল করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে নগরীর সড়কগুলোতে যানবাহন পার্কিংয়ের চাপ বাড়ছে এবং তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

রাজউকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর মোট ২ হাজার ৬৩৭টি ভবন পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে মাত্র ৩৬৩টি ভবনে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পার্কিং সুবিধা পাওয়া গেছে, যা মোট ভবনের মাত্র ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বাকি ৮৬ দশমিক ২৩ শতাংশ ভবনে পার্কিং সুবিধা নেই অথবা তা অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

রাজউকের পরিদর্শন তালিকায় গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া এলাকার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মালিকানাধীন চারটি মার্কেটও ছিল। এগুলো হলো—ঢাকা ট্রেড সেন্টার, গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-১ এবং ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২।

নকশা অনুযায়ী এসব ভবনের বেজমেন্ট পার্কিং হিসেবে ব্যবহারের কথা থাকলেও বাস্তবে সেখানে দোকান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ডিএসসিসির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-১-এর বেজমেন্টে স্থায়ী দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি এখনও নির্মাণাধীন গুলিস্তান ট্রেড সেন্টারের বেজমেন্টেও দোকান বরাদ্দ ও নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২-এর তিনটি ভবনের বেজমেন্ট কয়েক বছর আগে উদ্ধার করা হলেও সেখানে আবারও দোকান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় গুলিস্তান এলাকার ব্যস্ত সড়কগুলোতে ট্রাক, পিকআপ ও অন্যান্য যানবাহন দাঁড় করিয়ে মার্কেটের মালামাল ওঠানামা করা হয়। এতে সড়কের একটি বড় অংশ দখল হয়ে যায় এবং সারাদিনই যানজট লেগে থাকে। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত রাজউকের ৪৪টি বিশেষ টিম রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। গুলশান, বনানী, তেজগাঁও, প্রগতি সরণি, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, পান্থপথ, কারওয়ান বাজার, পল্টন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা এ অভিযানের আওতায় আনা হয়।

পরিদর্শনে দেখা যায়, ৫৩২টি ভবনের পার্কিং এলাকা কোনো না কোনোভাবে ব্যবহৃত হলেও এক হাজার ৬৮টি ভবনে পার্কিং স্পেসে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া ২১৬টি ভবনে অস্থায়ী কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ৪৫৮টি ভবন কোনো অনুমোদিত নকশা দেখাতে পারেনি এবং এসব ভবনেও পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর ক্রমবর্ধমান যানজট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জানানো হয়, অনেক ভবনের অনুমোদিত পার্কিং স্পেস অবৈধভাবে দোকান, গুদাম কিংবা অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সড়কে গাড়ি পার্কিং বেড়ে গিয়ে যানজট তীব্র আকার ধারণ করছে।

বৈঠকে রাজউককে রাজধানীর সব বাণিজ্যিক ভবনের পার্কিং পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজউক সূত্র জানায়, পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে বিদ্যমান ১ হাজার ৮০০টি পার্কিংয়ের মধ্যে ১ হাজার ১৫০টি কমানোর জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠকে সেই আবেদন নাকচ করা হয় এবং অনুমোদিত পার্কিং অক্ষুণ্ন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংশোধিত নকশা জমা দিলেও তা বিধি অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে।

পার্কিং স্পেসে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণে রাজউক চারটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে গত ১৫ এপ্রিলের মধ্যে স্বেচ্ছায় স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়। এরপর ১৬ এপ্রিল থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে রাজধানীর ১৬টি বহুতল ভবনের ১৩১টি পার্কিং স্পেস থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে।

রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক ভবনের পার্কিংসংক্রান্ত অনিয়ম দূর করতে আরও প্রায় চার মাস সময় লাগতে পারে। এ কার্যক্রম শেষ হলে রাজধানীর আবাসিক ভবনগুলোতেও একই ধরনের চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে।

রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “রাজধানীর যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস দখলমুক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেসব ভবনের পার্কিং এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। ভবনের সংখ্যা অনেক হওয়ায় একযোগে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”