ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

কেরানীগঞ্জে সরকারি স্কুলের সামনে ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধে নাকাল শিক্ষক-শিক্ষার্থী


মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / ২০৭৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের ইমামবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

 

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি স্কুলে গরিবের সন্তানরা পড়ে বলেই হয়তো বিষয়টি দেখার কেউ নেই। আশপাশের কোনো বেসরকারি স্কুলের সামনে এমন ময়লার স্তূপ দেখা যায় না। কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের প্রতিদিন এই দুর্গন্ধের মধ্যেই ক্লাস করতে হয়।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ঘেঁষা সড়কের একপাশজুড়ে বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা স্তূপ করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র দুর্গন্ধ। স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে। দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে অনেক শিক্ষার্থী অস্বস্তি প্রকাশ করছে।

 

শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিকভাবে পাঠদানও কঠিন হয়ে পড়েছে। টিফিনের সময় শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো খাবার খেতে পারে না। খেলাধুলা বা বিদ্যালয়ের খোলা পরিবেশে সময় কাটানোও তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

 

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা বলেন, ময়লার গন্ধে বাচ্চারা স্কুলে খাবার খেতে পারে না, ক্লাস করতে পারে না, খেলাধুলাও করতে পারে না। আমরা এই সমস্যা থেকে দ্রুত পরিত্রাণ চাই।

 

প্রধান শিক্ষক রূপালী সাহা জানান, এর আগেও বহুবার ময়লা অপসারণের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কথা না শুনে স্কুলের সামনেই ময়লা ফেলে রাখে। স্থানীয় এলাকাবাসীও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তবুও এ দুর্ভোগ শেষ হচ্ছে না।

 

এলাকাবাসী বলছেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে এভাবে ময়লা ফেলে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে দ্রুত ময়লার স্তূপ অপসারণ এবং ভবিষ্যতে স্কুলের সামনে ময়লা ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে ময়লা অপসারণের কাজে নিয়োজিত হারুন ও চঞ্চলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। দ্রুতই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সারাদেশ

কেরানীগঞ্জে সরকারি স্কুলের সামনে ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধে নাকাল শিক্ষক-শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ১১:৩২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের ইমামবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

 

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি স্কুলে গরিবের সন্তানরা পড়ে বলেই হয়তো বিষয়টি দেখার কেউ নেই। আশপাশের কোনো বেসরকারি স্কুলের সামনে এমন ময়লার স্তূপ দেখা যায় না। কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের প্রতিদিন এই দুর্গন্ধের মধ্যেই ক্লাস করতে হয়।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ঘেঁষা সড়কের একপাশজুড়ে বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা স্তূপ করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র দুর্গন্ধ। স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে। দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে অনেক শিক্ষার্থী অস্বস্তি প্রকাশ করছে।

 

শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিকভাবে পাঠদানও কঠিন হয়ে পড়েছে। টিফিনের সময় শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো খাবার খেতে পারে না। খেলাধুলা বা বিদ্যালয়ের খোলা পরিবেশে সময় কাটানোও তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

 

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা বলেন, ময়লার গন্ধে বাচ্চারা স্কুলে খাবার খেতে পারে না, ক্লাস করতে পারে না, খেলাধুলাও করতে পারে না। আমরা এই সমস্যা থেকে দ্রুত পরিত্রাণ চাই।

 

প্রধান শিক্ষক রূপালী সাহা জানান, এর আগেও বহুবার ময়লা অপসারণের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কথা না শুনে স্কুলের সামনেই ময়লা ফেলে রাখে। স্থানীয় এলাকাবাসীও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তবুও এ দুর্ভোগ শেষ হচ্ছে না।

 

এলাকাবাসী বলছেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে এভাবে ময়লা ফেলে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে দ্রুত ময়লার স্তূপ অপসারণ এবং ভবিষ্যতে স্কুলের সামনে ময়লা ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে ময়লা অপসারণের কাজে নিয়োজিত হারুন ও চঞ্চলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। দ্রুতই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।