ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল /

দ্বিতীয় বিয়ে সম্পর্কে জানেন প্রথম স্ত্রী, ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / ২০৮৫ বার পড়া হয়েছে

এক নারীর সঙ্গে ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার (ভাইরাল) বিষয়ে মুখ খুলেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম। এক ভিডিও বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান, মরিয়ম খাতুন নামের ওই নারীর সঙ্গে তার স্বামী নজরুল ইসলাম পারিবারিকভাবেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যারা কুৎসা রটাচ্ছেন অপপ্রচার থেকে বিরত না থাকলে তাদের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন।

এদিকে অন্য একটি ভিডিও বার্তায় মরিয়ম আক্তার নামের ওই নারী দাবি করেন, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী। সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া ভিডিওটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ এবং তার স্বামীর সম্মানহানির উদ্দেশ্যেই এটি করা হয়েছে।

একই ভিডিও ক্লিপে মরিয়মের বাবা দাবি করা এক ব্যক্তি জানান, গত ১৭ জুন গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার বড় মেয়ে মরিয়মের বিয়ে হয়। এতে নজরুলের প্রথম স্ত্রীসহ উভয় পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার ঘটনায় তিনি ক্ষুব্ধ।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, গত ১৩ জুলাই আমার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে শ্বশুর (দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা) মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি।

আমাদের অবস্থানকালে জোহরের নামাজের আগে গাড়িচালক ও আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যান। পরবর্তীতে তিনি ৫-৭ জন অপরিচিত লোককে সঙ্গে নিয়ে আমাদের কক্ষে প্রবেশ করেন। আমাদের জিম্মি করে তারা ১ লাখ টাকা আদায় করেন। ওবায়দুল্লাহর যোগসাজশে আমার ব্যবহৃত ভাড়া করা গাড়িটি আটকে রেখে দফায় দফায় আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়। আমরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বিভিন্ন হুমকি দেন। পরে জানতে পারি, আমার শ্বশুরের সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

পরবর্তীতে হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করে ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রকৃতপক্ষে, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং আমার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তার বাবার বাসভবনে আমার বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত তথ্যের কোনো সত্যতা নেই।

যারা আমাদের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল /

দ্বিতীয় বিয়ে সম্পর্কে জানেন প্রথম স্ত্রী, ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’

আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

এক নারীর সঙ্গে ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার (ভাইরাল) বিষয়ে মুখ খুলেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম। এক ভিডিও বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান, মরিয়ম খাতুন নামের ওই নারীর সঙ্গে তার স্বামী নজরুল ইসলাম পারিবারিকভাবেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যারা কুৎসা রটাচ্ছেন অপপ্রচার থেকে বিরত না থাকলে তাদের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন।

এদিকে অন্য একটি ভিডিও বার্তায় মরিয়ম আক্তার নামের ওই নারী দাবি করেন, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী। সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া ভিডিওটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ এবং তার স্বামীর সম্মানহানির উদ্দেশ্যেই এটি করা হয়েছে।

একই ভিডিও ক্লিপে মরিয়মের বাবা দাবি করা এক ব্যক্তি জানান, গত ১৭ জুন গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার বড় মেয়ে মরিয়মের বিয়ে হয়। এতে নজরুলের প্রথম স্ত্রীসহ উভয় পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার ঘটনায় তিনি ক্ষুব্ধ।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, গত ১৩ জুলাই আমার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে শ্বশুর (দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা) মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি।

আমাদের অবস্থানকালে জোহরের নামাজের আগে গাড়িচালক ও আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যান। পরবর্তীতে তিনি ৫-৭ জন অপরিচিত লোককে সঙ্গে নিয়ে আমাদের কক্ষে প্রবেশ করেন। আমাদের জিম্মি করে তারা ১ লাখ টাকা আদায় করেন। ওবায়দুল্লাহর যোগসাজশে আমার ব্যবহৃত ভাড়া করা গাড়িটি আটকে রেখে দফায় দফায় আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়। আমরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বিভিন্ন হুমকি দেন। পরে জানতে পারি, আমার শ্বশুরের সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

পরবর্তীতে হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করে ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রকৃতপক্ষে, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং আমার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তার বাবার বাসভবনে আমার বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত তথ্যের কোনো সত্যতা নেই।

যারা আমাদের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।