সুইচ গেটে অবৈধ লেংটি জাল, মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য মামুন সহ স্থানীয় ৪ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
- আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ২০৭১ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের পচারকুড়া এলাকায় মানস নদীর মুখে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন সুইচ গেটের ৮টি দরজায় অবৈধভাবে লেংটি জাল বসিয়ে মাছের পোনাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগের তীর ইউপি সদস্যসহ চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সুইচ গেটের পানির নিচে কৌশলে লেংটি জাল বসিয়ে মানস নদী ও আশপাশের বিল থেকে স্রোতের সঙ্গে আসা মাছ আটকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ মাছ শিকার করা হচ্ছে। এতে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও মাছের পোনা নিধন হওয়ায় ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের প্রজনন ও অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
এছাড়া সুইচ গেটের দরজায় জাল বসানোর কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে গেটের উজানে ঘাগোয়া ইউনিয়নসহ আশপাশের ২-৩টি ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং আউশ ধান ও বর্ষাকালীন বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
স্থানীয়দের দাবি, ঘাগোয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, জামাল উদ্দিন ভুট্টু ও আব্দুর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে প্রতিবছর ওই সুইচ গেটে জাল বসিয়ে মাছ শিকার করে আসছেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানা যায়নি।
এলাকাবাসী দ্রুত অবৈধ জাল অপসারণ, মাছের পোনা নিধন বন্ধ এবং সুইচ গেটের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।






















