ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতের কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর ১জন সাতক্ষীরার


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৩:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০৬১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিম্বঙ্গের কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা-ইন এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর মধ্যে সাতক্ষীরার সন্তান মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুও রয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মোঃ ইউনুস আলী সরদারের ছেলে। এছাড়া তিনি সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী একে ট্রাভেলস্‌ এর স্বত্বাধিকারী তাহমিদ শাহেদ চয়নের খালাতো ভাই।

ভারতের গণমাধ্যম পিটিআই এর মাধ্যমে জানা যায়, বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে হোটেলটির চারতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সময় হোটেলের কক্ষে অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, বাইরে থেকে সরাসরি আগুনের শিখা না দেখা গেলেও চারদিক প্রচণ্ড কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল।
হোটেলটির ভেতরে ঢোকা ও বেরোনোর পথ অত্যন্ত সংকীর্ণ হওয়ায় হুড়োহুড়ি ও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে সেখান থেকে অন্তত ৬০ জনকে আশঙ্কাজনক বা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ৯ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১টি শি-শু রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, মূলত বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়েই তাদের করুণ মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুর মৃত্যুর খবর সাতক্ষীরায় পৌঁছালে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে। বরেয়া গ্রাম ও পলাশপোল এলাকায় এখন শোকের মাতম চলছে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি জানিয়েছে, হোটেলের কোনো একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস অফিসের মাত্র এক ভবন পরেই হোটেলটি অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এতে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ভারতের পিটিআই ও এনডিটিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, আগুনে প্রাণ হারানো ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন। নিহতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ভারতের কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর ১জন সাতক্ষীরার

আপডেট সময় : ০৩:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিম্বঙ্গের কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা-ইন এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৮ বাংলাদেশীর মধ্যে সাতক্ষীরার সন্তান মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুও রয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মোঃ ইউনুস আলী সরদারের ছেলে। এছাড়া তিনি সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী একে ট্রাভেলস্‌ এর স্বত্বাধিকারী তাহমিদ শাহেদ চয়নের খালাতো ভাই।

ভারতের গণমাধ্যম পিটিআই এর মাধ্যমে জানা যায়, বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে হোটেলটির চারতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সময় হোটেলের কক্ষে অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, বাইরে থেকে সরাসরি আগুনের শিখা না দেখা গেলেও চারদিক প্রচণ্ড কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল।
হোটেলটির ভেতরে ঢোকা ও বেরোনোর পথ অত্যন্ত সংকীর্ণ হওয়ায় হুড়োহুড়ি ও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে সেখান থেকে অন্তত ৬০ জনকে আশঙ্কাজনক বা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ৯ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১টি শি-শু রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, মূলত বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়েই তাদের করুণ মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে মোঃ আলিমুজ্জামান সাজুর মৃত্যুর খবর সাতক্ষীরায় পৌঁছালে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে। বরেয়া গ্রাম ও পলাশপোল এলাকায় এখন শোকের মাতম চলছে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি জানিয়েছে, হোটেলের কোনো একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস অফিসের মাত্র এক ভবন পরেই হোটেলটি অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এতে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ভারতের পিটিআই ও এনডিটিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, আগুনে প্রাণ হারানো ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন। নিহতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।