ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

যৌতুক লোভী সৈনিক স্বামীর পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা

 বিচারের সুষ্ঠ তদন্ত ও ফাঁসির দাবিতে গোবিন্দগঞ্জে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত।


মোঃ ওয়াজেদ আলী, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০৯৯ বার পড়া হয়েছে

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; algolist: 0; multi-frame: 1; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: weather?null, icon:null, weatherInfo:100;temperature: 47;

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের মারিয়া গ্রামের মোহাম্মদ খলিলুর রহমান মন্ডলের কন্যা তাসলিমা খাতুন তিশা হত্যা মামলা রেকর্ড, সুষ্ঠ  তদন্ত করে বিচার ও ফাঁসির দাবিতে ২২ শে আগস্ট দুপুরে তাসলিমার পিতা খলিলুর রহমান এর নেতৃত্বে ভূক্তভোগী পরিবার, এলাকার কয়েকশত নারী-পুরুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণে যৌতুক লোভী ও পরকীয়ার জের ধরে সৈনিক স্বামীর হাতে পরিকল্পিতভাবে তাসলিমা আক্তার তিশা হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

নিহতের পিতা খলিলুর রহমান জানান, তার মেয়ে মোছাঃ তাসলিমা আক্তার তিশাকে ২১/০৭/২০২৩ ইং তারিখে ঠাকুরগাঁও জেলার ভুল্লী থানার লাউযুথি গ্রামের আনিসুরের পুত্র সাথে বিবাহ দেয়। বিয়ের সময় ৩ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয় যার মধ্যে দুই হাজার টাকা নগদ এবং ২ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা বাকি রাখা হয়। বিয়ের সময় প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার আসবাবপত্র ও স্বর্ণালংকার উপঢোক্ষণ হিসেবে দেওয়া হয়। এর পর হাওলাত স্বরূপ তিন লক্ষ বিশ হাজার টাকা জুবায়দুর রহমান জমি ক্রয়ের কথা বলে খলিলুর রহমানের নিকট থেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আরও আট লক্ষ টাকা যৌতকি দাবি করে।

 

বিয়ের পর থেকেই আসামীরা যৌতুকের জন্য তার মেয়ের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০/১২/২০২৩ তারিখে তার মেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তায় মুমূর্ষু অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার কাগজে ডাক্তার “Domestic Violence” ও “Blunt trauma to head” শারীরিক এসাল্ট H/O পুলিশ কেস লেখা রয়েছে। তারপরও বিভিন্ন সময়ে ও তারিখে জোবায়দুর রহমান কর্তৃক তাসলিমা কে যৌতুকের দাবিতে এবং ঘর-সংসার করবে না মর্মে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। এরই এক পর্যায়ে জুবায়দুর এর বাবা, চাচা এবং জুবায়দুর সালিশ দরবারে অঙ্গীকার করে বলেন যে যৌতুক দাবি করবেন না এবং তিশাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন না করে সুস্থ স্বাভাবিকভাবে সংসার করবেন মর্মে ঢাকায় নিয়ে যায়।

 

কিন্তু রহস্যজনক কারণে ঢাকায় থেকে যৌতুক লোভী পরকিয়া আসক্ত বহু নারী লোভী জুবায়দুর রহমান তাসলিমা কে তার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তাকে বাড়ির সামনে রাতে পুকুর পাড়ে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করলে বিষয়টি তাসলিমা কৌশলে প্রানে বেঁচে তার বড় ভাই জাহাঙ্গীরের স্ত্রী কে জানান এবং মোবাইলে তার পিতা-মাতা এবং ভাইকে বিষয়টি অবগত করেন। নিহতের বাবা খলিলুর রহমান জানান।

এরপর গত ৩১/১২/২০২৫ তারিখে জুবায়দুর রহমান সাড়ে ছয়টায় তার শশুর শাশুড়িকে তাসলিমার অবস্থা খারাপ সংবাদ দিয়ে যেতে বলে তারা অসুস্থতার কথা জানতে চাইলে কিছুক্ষন পরে ফোন দিয়ে

তাসলিমার মৃত্যুর সংবাদ জুবায়দুর রহমান তার শশুর শাশুড়িকে মোবাইলে নিশ্চিত করেন। পরবর্তী

মেয়েকে আবারও হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সকাল ৮.১৫ ঘটিকায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, হাসপাতলে ভর্তি নেওয়ার সময়, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত সময়, সর্বোপরি লাশ ঠাকুরগাঁও থেকে বাবার বাড়ি মারিয়া গ্রামে দাফন কাফন এবং দোয়া জেনেও জোবায়দুর এবং তার পরিবার অংশগ্রহণ করেনি । পোস্টমর্টেম রিপোর্টেম মাথায় ৪x৪ সে.মি. আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ভুল্লী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা নং- ৩৭/২৫ রুজু হলেও ৮ মাস অতিবাহিত হলেও মামলার কোন অগ্রগতি নেই।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পূর্বেই  কিভাবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তাসলিমার স্বামী জোবায়দুর। তাসলিমার স্বামী জোবায়দুর রহমান একজন সৈনিক সদস্য নং ১২৪৫২৯০, সৈনিক ডিএমটি এবং কিউবেক ৭ ফিল রেজিমেন্ট আর্টিলারি বর্তমান কর্মরত সাভার ক্যান্টমেন্ট এ তিনি দেশ সেবার নামে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে যৌতুকের জন্য তাসলিমা কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি চাই দাবি করে মানবন্ধন থেকে ৩ দফা দাবি জানানো হয়। ১. ভুল্লী থানার অপমৃত্যু মামলা নং- ৩৭/২৫ কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করতে হবে। ২. এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করতে হবে। ৩. দোষী স্বামী জুবায়দুর রহমান ও তার পরিবারের জড়িত সকল সদস্যের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

যৌতুক লোভী সৈনিক স্বামীর পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা

আপডেট সময় : ০৩:৩০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের মারিয়া গ্রামের মোহাম্মদ খলিলুর রহমান মন্ডলের কন্যা তাসলিমা খাতুন তিশা হত্যা মামলা রেকর্ড, সুষ্ঠ  তদন্ত করে বিচার ও ফাঁসির দাবিতে ২২ শে আগস্ট দুপুরে তাসলিমার পিতা খলিলুর রহমান এর নেতৃত্বে ভূক্তভোগী পরিবার, এলাকার কয়েকশত নারী-পুরুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণে যৌতুক লোভী ও পরকীয়ার জের ধরে সৈনিক স্বামীর হাতে পরিকল্পিতভাবে তাসলিমা আক্তার তিশা হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

নিহতের পিতা খলিলুর রহমান জানান, তার মেয়ে মোছাঃ তাসলিমা আক্তার তিশাকে ২১/০৭/২০২৩ ইং তারিখে ঠাকুরগাঁও জেলার ভুল্লী থানার লাউযুথি গ্রামের আনিসুরের পুত্র সাথে বিবাহ দেয়। বিয়ের সময় ৩ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয় যার মধ্যে দুই হাজার টাকা নগদ এবং ২ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা বাকি রাখা হয়। বিয়ের সময় প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার আসবাবপত্র ও স্বর্ণালংকার উপঢোক্ষণ হিসেবে দেওয়া হয়। এর পর হাওলাত স্বরূপ তিন লক্ষ বিশ হাজার টাকা জুবায়দুর রহমান জমি ক্রয়ের কথা বলে খলিলুর রহমানের নিকট থেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আরও আট লক্ষ টাকা যৌতকি দাবি করে।

 

বিয়ের পর থেকেই আসামীরা যৌতুকের জন্য তার মেয়ের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০/১২/২০২৩ তারিখে তার মেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তায় মুমূর্ষু অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার কাগজে ডাক্তার “Domestic Violence” ও “Blunt trauma to head” শারীরিক এসাল্ট H/O পুলিশ কেস লেখা রয়েছে। তারপরও বিভিন্ন সময়ে ও তারিখে জোবায়দুর রহমান কর্তৃক তাসলিমা কে যৌতুকের দাবিতে এবং ঘর-সংসার করবে না মর্মে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। এরই এক পর্যায়ে জুবায়দুর এর বাবা, চাচা এবং জুবায়দুর সালিশ দরবারে অঙ্গীকার করে বলেন যে যৌতুক দাবি করবেন না এবং তিশাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন না করে সুস্থ স্বাভাবিকভাবে সংসার করবেন মর্মে ঢাকায় নিয়ে যায়।

 

কিন্তু রহস্যজনক কারণে ঢাকায় থেকে যৌতুক লোভী পরকিয়া আসক্ত বহু নারী লোভী জুবায়দুর রহমান তাসলিমা কে তার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তাকে বাড়ির সামনে রাতে পুকুর পাড়ে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করলে বিষয়টি তাসলিমা কৌশলে প্রানে বেঁচে তার বড় ভাই জাহাঙ্গীরের স্ত্রী কে জানান এবং মোবাইলে তার পিতা-মাতা এবং ভাইকে বিষয়টি অবগত করেন। নিহতের বাবা খলিলুর রহমান জানান।

এরপর গত ৩১/১২/২০২৫ তারিখে জুবায়দুর রহমান সাড়ে ছয়টায় তার শশুর শাশুড়িকে তাসলিমার অবস্থা খারাপ সংবাদ দিয়ে যেতে বলে তারা অসুস্থতার কথা জানতে চাইলে কিছুক্ষন পরে ফোন দিয়ে

তাসলিমার মৃত্যুর সংবাদ জুবায়দুর রহমান তার শশুর শাশুড়িকে মোবাইলে নিশ্চিত করেন। পরবর্তী

মেয়েকে আবারও হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সকাল ৮.১৫ ঘটিকায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, হাসপাতলে ভর্তি নেওয়ার সময়, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত সময়, সর্বোপরি লাশ ঠাকুরগাঁও থেকে বাবার বাড়ি মারিয়া গ্রামে দাফন কাফন এবং দোয়া জেনেও জোবায়দুর এবং তার পরিবার অংশগ্রহণ করেনি । পোস্টমর্টেম রিপোর্টেম মাথায় ৪x৪ সে.মি. আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ভুল্লী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা নং- ৩৭/২৫ রুজু হলেও ৮ মাস অতিবাহিত হলেও মামলার কোন অগ্রগতি নেই।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পূর্বেই  কিভাবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তাসলিমার স্বামী জোবায়দুর। তাসলিমার স্বামী জোবায়দুর রহমান একজন সৈনিক সদস্য নং ১২৪৫২৯০, সৈনিক ডিএমটি এবং কিউবেক ৭ ফিল রেজিমেন্ট আর্টিলারি বর্তমান কর্মরত সাভার ক্যান্টমেন্ট এ তিনি দেশ সেবার নামে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে যৌতুকের জন্য তাসলিমা কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি চাই দাবি করে মানবন্ধন থেকে ৩ দফা দাবি জানানো হয়। ১. ভুল্লী থানার অপমৃত্যু মামলা নং- ৩৭/২৫ কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করতে হবে। ২. এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করতে হবে। ৩. দোষী স্বামী জুবায়দুর রহমান ও তার পরিবারের জড়িত সকল সদস্যের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।