শেরপুরে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার
- আপডেট সময় : ০৭:১৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২০৫৮ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে বন্যহাতির আবাসস্থল সংরক্ষণ ও হাতি-মানুষের সংঘাত কমানোর জন্য করণীয় নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে হাতির নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জানমাল রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ বন্যপ্রাণী বিভাগের আয়োজনে মধুটিলা ইকোপার্কে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ‘জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন’ প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে অভয়ারণ্য ঘোষণার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সেমিনারে হাতি মোকাবিলায় গঠিত এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) কার্যপরিধি নির্ধারণ এবং আধুনিক কৌশলসমৃদ্ধ একটি অভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) প্রণয়নের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। তাঁর সহধর্মিণী সেনওয়া চৌধুরীসহ নালিতাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, হাতি-মানুষের সংঘাত নিরসনে একদিকে যেমন মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার, অন্যদিকে তেমনি বন্যহাতির প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষাও জরুরি। হাতির চলাচলের পথ চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, বন্যহাতির আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাতির আক্রমণ থেকে মানুষের জানমাল রক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, বন বিভাগ এবং জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।






















