শ্যামনগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে সংখ্যালঘুর জমি দখল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন।
- আপডেট সময় : ১২:৫৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২০৪১ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন ধানখালী এলাকায় বাসুদেব এবং জয়দেবের নির্দেশে হেলাল বাহিনী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দীনেশ চন্দ্র নামে একটি অসহায় পরিবারের ফসলি জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যু চক্র হেলাল বাহিনী গত ২০ সেপ্টেম্বর রবিবার সকাল ৬:৩০ মিনিটে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ও নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে দিনদুপুরে এই ফসলি জমি জবরদখল করেছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছে।
ঘটনার বিবরণ:স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবারটি তাদের নিজস্ব দলিল ও খতিয়ানভুক্ত জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস ও চাষাবাদ করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ও তাদের সশস্ত্র সহযোগীরা দলবল নিয়ে ওই জমিতে এসে জোরপূর্বক দখল করে । বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মারধর সহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার হেলাল বাহিনীর ভয়ে পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ গত ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ৭:৩০ মিনিটে ফোন দিলে পুলিশ আসে দুপুর ১টার দিকে এবং হেলাল বাহিনীকে সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বলে। পুলিশের এমন ধীরগতি প্রক্রিয়া দেখে ভুক্তভোগী পরিবারেরও স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় দিশেহারা হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী চক্র হেলাল বাহিনী পুলিশের তোয়াক্কা না করে রাতের আঁধারে এবং প্রশাসনের অনুপস্থিতিতে ফসলি জমিতে স্থায়ী স্থাপনা তোলার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা কমিটি অবিলম্বে এই ফসলি জমি জবরদখল বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
তারা বলেন, সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড আরও বৃদ্ধি পাবে।
ভুক্তভোগী পরিবারটি তাদের ফসলি জমি ফিরে পেতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।





















