চাপে ধর্ষকের সঙ্গে ছাত্রীর বিয়ে
- আপডেট সময় : ১০:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
- / ২০৯২ বার পড়া হয়েছে
মাদারীপুরের কালকিনিতে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে লম্পট যুবক এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এতে ওই কলেজছাত্রী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ওই ধর্ষক যুবক কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকে।
সোমবার বিষয়টি এলাকায় ফাঁস হয়ে গেলে দিনভর নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এলাকা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এনায়েতনগর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের শিকবির বেপারীর ছেলে শাওন বেপারী (২৩) বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ফুসলিয়ে একই এলাকার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এতে ওই কলেছছাত্রী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ধর্ষক যুবক শাওন কৌশল খাটিয়ে গোপনে মাদারীপুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসক দিয়ে কলেজছাত্রীর গর্ভপাত করে। এতে ওই কলেজছাত্রী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর পরিবার শাওনকে বিয়ে করতে বললে শাওন তার বসতঘর তালাবদ্ধ করে রাতের আঁধারে পরিবারের সদস্যসহ গা-ঢাকা দেয়। এদিকে শাওনের পরিবারের অনবরত হুমকির মুখে পড়ে ভয়ে তখন মামলা করতে পারেনি ওই কলেজছাত্রী।
পরে স্থানীয়দের চাপে গত শনিবার রাতে ধর্ষক শাওন ওই ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। এ বিষয়টি সোমবার জানাজানি হলে পুরো এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর ভাই জানান, আমার বোনকে শাওন বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কয়েকবার ধর্ষণ করে। আমার বোন অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে কৌশলে গর্ভপাত ঘটনায় শাওন। পরে চরম বিপাকে পড়ে শাওন পালিয়ে যায়। একপর্যায় সে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। সে বিয়ে করায় আমরা খুশি হয়েছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, ধর্ষণ করে কলেজছাত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা বানিয়ে শাওন পালিয়ে ছিল। অবশেষে চাপের মুখে পড়ে বিয়ে করেছে। এ বিষয় অভিযুক্ত শাওন বেপারীর কাছে জানতে চাইলে সে এড়িয়ে যায়। ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনির খন্দকার বলেন, আমরা স্থানীয় লোকজন মিলে চাপ প্রয়োগ করে শাওনের সঙ্গে কলেজছাত্রীকে বিয়ে দিয়েছি। আমি মনে করি একটা ভালো কাজ করেছি।
এ ব্যাপারে কলিকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নয়ন জানান, আমরা ওই বিষয়টির ব্যাপারে অবগত নই। আর কেউ অভিযোগ করেনি।























