ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানরা সংখ্যালঘু হবে কেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের —জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ২১২২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবেন। তারা কেন সংখ্যালঘু হবেন সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে। তারা মাইনরটি হবে কেন। আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের। ‘’সংখ্যালঘু বলে জাতিকে বিভক্ত করা আরেকটি চক্রান্ত‘’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ দেশের মানুষ বন্ধুসুলভ হয়ে পরস্পর প্রতিবেশি হয়ে থাকবে। আর পরস্পরকে (সংঘ্যালঘু বলে) লাগিয়ে দেওয়ার জন্য এটি একটি শয়তানি চক্র। তিনি আরও বলেন, এদেশে যারা জন্মগ্রহণ করবে তারা সবাই গর্বিত মানুষ। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নতুন পথে পরিচালিত করতে হবে। তবে, এই পরিবর্তন কতটা গভীর এবং টেকসই হবে, তা নির্ভর করবে বিপ্লবের নেতৃত্ব, জনগণের অংশগ্রহণ, এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের ওপর। যদি এই বিপ্লব সত্যিই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং উন্নয়নের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকে এগিয়ে নেওয়া যায়, তবেই বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল, প্রগতিশীল, এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। এই রাষ্ট্রে যদি আল্লাহ আমাদের দায়িত্ব দেয় তখন চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো হবে। সেইসঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত প্রহসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়া হবে।
গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান বেলাল, সাবেক জেলা আমির ডা. আব্দুল রহীম সরকার, জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ সরকার, সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকারসহ আরও অনেকে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানরা সংখ্যালঘু হবে কেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের —জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবেন। তারা কেন সংখ্যালঘু হবেন সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে। তারা মাইনরটি হবে কেন। আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের। ‘’সংখ্যালঘু বলে জাতিকে বিভক্ত করা আরেকটি চক্রান্ত‘’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ দেশের মানুষ বন্ধুসুলভ হয়ে পরস্পর প্রতিবেশি হয়ে থাকবে। আর পরস্পরকে (সংঘ্যালঘু বলে) লাগিয়ে দেওয়ার জন্য এটি একটি শয়তানি চক্র। তিনি আরও বলেন, এদেশে যারা জন্মগ্রহণ করবে তারা সবাই গর্বিত মানুষ। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নতুন পথে পরিচালিত করতে হবে। তবে, এই পরিবর্তন কতটা গভীর এবং টেকসই হবে, তা নির্ভর করবে বিপ্লবের নেতৃত্ব, জনগণের অংশগ্রহণ, এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের ওপর। যদি এই বিপ্লব সত্যিই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং উন্নয়নের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকে এগিয়ে নেওয়া যায়, তবেই বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল, প্রগতিশীল, এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। এই রাষ্ট্রে যদি আল্লাহ আমাদের দায়িত্ব দেয় তখন চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো হবে। সেইসঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত প্রহসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়া হবে।
গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান বেলাল, সাবেক জেলা আমির ডা. আব্দুল রহীম সরকার, জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ সরকার, সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকারসহ আরও অনেকে।