জাতিসংঘের প্রতিবেদন ক্ষমতায় থাকতে নৃশংস পদক্ষেপ নিয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার
- আপডেট সময় : ০৯:১৫:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / ২০৯৬ বার পড়া হয়েছে
গুলিবিদ্ধ গোলাম নাফিস রিকশার পাদানিতে। রিকশাচালক নূর মোহাম্মদ তাকে নিয়ে যাচ্ছেন হাসপাতালে। ৪ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে ছবিটি তোলেন মানবজমিন পত্রিকার ফটোসাংবাদিক জীবন আহমেদ। সেই ছবির স্কেচ স্থান পেয়েছে জাতিসংঘের প্রতিবেদনের প্রচ্ছদে।
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় আওয়ামী লীগের সহিংস কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিগত সরকার এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পদ্ধতিগতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত ছিল। ক্ষমতায় থাকার জন্য হাসিনা সরকার ক্রমাগত নৃশংস পদক্ষেপ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করেছিল।
বাংলাদেশে অভ্যুত্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের তদন্তে এই তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল বুধবার সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভা থেকে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এ উপলক্ষে সেখানে এ দিন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন অনলাইনে ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে।
প্রতিবেদন প্রকাশের শুরুতে বক্তব্য দেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। তিনি বলেন, গণবিক্ষোভের মুখে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে একটি পরিকল্পিত এবং সুসমন্বিত কৌশল হিসেবে এমন নৃশংস পদক্ষেপ নিয়েছিল বিগত সরকার। বিক্ষোভ দমন করার কৌশলের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জ্ঞাতসারে, তাঁদের সমন্বয় ও নির্দেশনায় শত শত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার গ্রেপ্তার ও আটক এবং নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে।



























