ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে গেলে ভালো হবে: ফের বিতর্কিত মন্তব্য ট্রাম্পের


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২০৯৫ বার পড়া হয়েছে

গাজা উপত্যকা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ও মালিকানায় থাকলে তা ‘ভাল জিনিস’ হবে বলে আবারও মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউসে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন।

‘যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি শক্তি যদি গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ ও মালিকানা নেয়, তাহলে তা একটি ভালো বিষয় হবে,’ বলেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আপনি যদি ফিলিস্তিনিদের অন্য দেশে সরিয়ে দেন — এবং এমন অনেক দেশ আছে যারা তা করতে রাজি — তাহলে আপনি একটা মুক্ত অঞ্চল গড়ে তুলতে পারেন। আপনি এটিকে বলতে পারেন ফ্রিডম জোন, এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিদিন মানুষ হত্যা করা হবে না।’

তিনি আরও বলেন, তিনি এখনও বুঝতে পারেন না ‘ইসরাইল কেন গাজা ছেড়ে দিয়েছিল।’

‘ওটা একরকমের অদ্ভুত জায়গা,’ বলেন ট্রাম্প। ‘আমি একে বলি — দারুণ একটা লোকেশন, কিন্তু যেখানে কেউই থাকতে চায় না।’

গাজা যুদ্ধ থামানোর প্রতিশ্রুতি

আসন্ন মার্কিন নির্বাচনের প্রচারাভিযানে গাজা যুদ্ধ থামানোর অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি চাই যুদ্ধটা থেমে যাক, এবং আমার মনে হয় খুব বেশি দূরের ভবিষ্যতে না, এটা থেমে যাবে।’

তিনি জানান, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করতে তার প্রশাসন কাজ করছে, তবে স্বীকার করেন, ‘সব জিম্মিকে মুক্ত করা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।’

এদিকে জানুয়ারির অস্ত্রবিরতির সময় কিছু জিম্মি মুক্তি পাওয়ার পর নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল এখন ‘আরেকটি চুক্তির জন্য কাজ করছে যা সফল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে আমরা সব জিম্মিকে মুক্ত করব, তবে পাশাপাশি গাজার ভেতরে হামাসের যে দমন-নিপীড়নমূলক শাসন — তাকে সম্পূর্ণ নির্মূল করাও আমাদের লক্ষ্য, যাতে গাজার মানুষ নিজের ইচ্ছায় নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে।’

নেতানিয়াহু আরও জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্পের ‘সাহসী পরিকল্পনা’ হিসেবে যেটি পরিচিত — সেটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের গাজা দখলের প্রস্তাব, যা তিনি তার শাসনামলের প্রথম দিক থেকেই কয়েকবার উত্থাপন করেছেন।

তবে এই পরিকল্পনাটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।  আরবদেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশ এটিকে ‘জাতিগত নির্মূলকরণ’ বা এথনিক ক্লিনজিংয়ের প্রস্তাব হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

গাজা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে গেলে ভালো হবে: ফের বিতর্কিত মন্তব্য ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

গাজা উপত্যকা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ও মালিকানায় থাকলে তা ‘ভাল জিনিস’ হবে বলে আবারও মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউসে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন।

‘যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি শক্তি যদি গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ ও মালিকানা নেয়, তাহলে তা একটি ভালো বিষয় হবে,’ বলেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আপনি যদি ফিলিস্তিনিদের অন্য দেশে সরিয়ে দেন — এবং এমন অনেক দেশ আছে যারা তা করতে রাজি — তাহলে আপনি একটা মুক্ত অঞ্চল গড়ে তুলতে পারেন। আপনি এটিকে বলতে পারেন ফ্রিডম জোন, এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিদিন মানুষ হত্যা করা হবে না।’

তিনি আরও বলেন, তিনি এখনও বুঝতে পারেন না ‘ইসরাইল কেন গাজা ছেড়ে দিয়েছিল।’

‘ওটা একরকমের অদ্ভুত জায়গা,’ বলেন ট্রাম্প। ‘আমি একে বলি — দারুণ একটা লোকেশন, কিন্তু যেখানে কেউই থাকতে চায় না।’

গাজা যুদ্ধ থামানোর প্রতিশ্রুতি

আসন্ন মার্কিন নির্বাচনের প্রচারাভিযানে গাজা যুদ্ধ থামানোর অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি চাই যুদ্ধটা থেমে যাক, এবং আমার মনে হয় খুব বেশি দূরের ভবিষ্যতে না, এটা থেমে যাবে।’

তিনি জানান, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করতে তার প্রশাসন কাজ করছে, তবে স্বীকার করেন, ‘সব জিম্মিকে মুক্ত করা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।’

এদিকে জানুয়ারির অস্ত্রবিরতির সময় কিছু জিম্মি মুক্তি পাওয়ার পর নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল এখন ‘আরেকটি চুক্তির জন্য কাজ করছে যা সফল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে আমরা সব জিম্মিকে মুক্ত করব, তবে পাশাপাশি গাজার ভেতরে হামাসের যে দমন-নিপীড়নমূলক শাসন — তাকে সম্পূর্ণ নির্মূল করাও আমাদের লক্ষ্য, যাতে গাজার মানুষ নিজের ইচ্ছায় নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে।’

নেতানিয়াহু আরও জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্পের ‘সাহসী পরিকল্পনা’ হিসেবে যেটি পরিচিত — সেটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের গাজা দখলের প্রস্তাব, যা তিনি তার শাসনামলের প্রথম দিক থেকেই কয়েকবার উত্থাপন করেছেন।

তবে এই পরিকল্পনাটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।  আরবদেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশ এটিকে ‘জাতিগত নির্মূলকরণ’ বা এথনিক ক্লিনজিংয়ের প্রস্তাব হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।