ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ইনস্টাগ্রামে প্রেম, ত্রিপুরায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশি নারী


বঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / ২০৯০ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বাংলাদেশের গুলশানা আক্তার (৩৫)। তবে প্রেমিকের সঙ্গে সাক্ষাতের আগেই তাকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বর্তমানে ত্রিপুরার এক কারাগারে রয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন কর্ণাটকের যুবক দত্ত যাদবও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বগুড়ার পালসা গ্রামের বাসিন্দা গুলশানার সঙ্গে কর্ণাটকের বিদার জেলার যুবক দত্ত যাদবের পরিচয় হয়েছিল আট মাস আগে ইনস্টাগ্রামে। এরপর তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ভারতে কাজ করার পর গুলশানা বাংলাদেশে ফিরে এলেও, যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে গুলশানা অবৈধভাবে ত্রিপুরার সীমানায় প্রবেশ করেন।

 

তবে ত্রিপুরার সিপাহিজলা জেলার হরিহরদোলা সীমান্ত গ্রামে প্রবেশের সময়ই বিএসএফ তাদের আটক করে। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আদালতে তোলা হলে বিচারক দুজনকেই ১৪ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গুলশানার বিরুদ্ধে বিদেশি নাগরিক আইন, পাসপোর্ট আইন এবং ভারতের দণ্ডবিধি সংহিতা (BNS), ২০২৩ অনুযায়ী একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই অভিযোগে দত্ত যাদবের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।

ত্রিপুরা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গুলশানা আক্তার এর আগে মুম্বাইয়ের একটি বিউটি পার্লারে এবং পরে বেঙ্গা

লুরুর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। সেখানেই তার সঙ্গে দত্ত যাদবের পরিচয় হয়। প্রেমের টানেই গুলশানা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পর যাদব তাকে পুনরায় ভারতে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেন।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার পেছনে মানব পাচারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছি। গুলশানাকে কীভাবে সীমান্ত পার হতে সহায়তা করা হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাদের পুলিশি হেফাজতে নেয়ার আবেদন জানানো হবে।’

 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ইনস্টাগ্রামে প্রেম, ত্রিপুরায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশি নারী

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বাংলাদেশের গুলশানা আক্তার (৩৫)। তবে প্রেমিকের সঙ্গে সাক্ষাতের আগেই তাকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বর্তমানে ত্রিপুরার এক কারাগারে রয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন কর্ণাটকের যুবক দত্ত যাদবও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বগুড়ার পালসা গ্রামের বাসিন্দা গুলশানার সঙ্গে কর্ণাটকের বিদার জেলার যুবক দত্ত যাদবের পরিচয় হয়েছিল আট মাস আগে ইনস্টাগ্রামে। এরপর তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ভারতে কাজ করার পর গুলশানা বাংলাদেশে ফিরে এলেও, যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে গুলশানা অবৈধভাবে ত্রিপুরার সীমানায় প্রবেশ করেন।

 

তবে ত্রিপুরার সিপাহিজলা জেলার হরিহরদোলা সীমান্ত গ্রামে প্রবেশের সময়ই বিএসএফ তাদের আটক করে। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আদালতে তোলা হলে বিচারক দুজনকেই ১৪ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গুলশানার বিরুদ্ধে বিদেশি নাগরিক আইন, পাসপোর্ট আইন এবং ভারতের দণ্ডবিধি সংহিতা (BNS), ২০২৩ অনুযায়ী একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই অভিযোগে দত্ত যাদবের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।

ত্রিপুরা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গুলশানা আক্তার এর আগে মুম্বাইয়ের একটি বিউটি পার্লারে এবং পরে বেঙ্গা

লুরুর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। সেখানেই তার সঙ্গে দত্ত যাদবের পরিচয় হয়। প্রেমের টানেই গুলশানা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পর যাদব তাকে পুনরায় ভারতে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেন।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার পেছনে মানব পাচারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছি। গুলশানাকে কীভাবে সীমান্ত পার হতে সহায়তা করা হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাদের পুলিশি হেফাজতে নেয়ার আবেদন জানানো হবে।’