রাজধানী
বড় সংখ্যক মানুষের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে: ডা. সায়েদুর রহমান
- আপডেট সময় : ০৫:২১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
- / ২১০৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেছেন, প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় এ পর্যন্ত বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৬০ জনকে আনা হয়েছে। আসলে বড় সংখ্যক মানুষের জীবনের ঝুঁকি আছে।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে উত্তরা দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন কলেজ এরিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অনেকে।
ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, আসলে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে, তবে এখনও সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। ঘটনা ঘটার পর সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ৩০ থেকে ৩৫ জনকে ভেতরে নেওয়া হয়েছে। অনেক মানুষ আহত হয়েছেন।
বিধ্বস্তের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৬০ জনের মতো দগ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই শিক্ষার্থী বলেও জানান ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ছাড়াও উত্তরার বেশ কয়েকটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব আহতদের জন্য রক্তের প্রয়োজন।
আহত দগ্ধদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিট, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ, কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, উত্তরা উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ নেওয়া হয়েছে। এসব আহতদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন।
এদিকে, আহতদের চিকিৎসা সেবার কথা বিবেচনা করে ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিট, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, উত্তরা উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ এবং মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ জরুরি বার্তা প্রদান করেছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন কলেজের ওপরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি ফাইটার জেট বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় অনেক রক্তের প্রয়োজন। রক্তদানে আগ্রহীদের দ্রুত উল্লেখিত হাসপাতালগুলোতে যোগাযোগ করতে ও সরাসরি যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বিমানটি দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করেছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিমানটির পাইলট ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। বিমানে তিনি একাই ছিলেন।






















