ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

কোটি টাকা আত্মসাৎ: ফ্লাইট এক্সপার্টের তিন কর্মকর্তা কারাগারে


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে

প্রতারণার মাধ্যমে চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অনলাইনে বিমানের টিকিট কাটার প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইট এক্সপার্টের’ তিন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— মো. সাকিব হোসেন, সাইদ আহমেদ ও এ.কে.এম সাদাত।

এদিন তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানার উপ পরিদর্শক মো. সাদ্দাম হোসেন তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এসময় আসামিপক্ষে তাদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

এর আগে রোববার সরকার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস প্রোপাইটার মো. বিপুল সরকার বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। এতে ফ্লাইট এক্সপার্টের সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম, মক্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, মো. সাকিব হোসেন, সাইদ আহমেদ ও এ.কে.এম সাদাত হোসেনকে আসামি করা। তাদের বিরুদ্ধে ১৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে চার কোটি ৭৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায়ী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ ক্লায়েন্টদের বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং, প্যাকেজ ট্যুরস, হজ ও ওমরাহ প্রদানের ব্যবসা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় হাজার হাজার এজেন্সি ও লক্ষাধিক গ্রাহক সেবার জন্য আর্থিক লেনদেন করে ব্যবসা পরিচালনা করছিল। গত ২ আগস্ট সকাল থেকে আসামীদের অনলাইন সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।

এজন্য এজেন্সির মালিকরাসহ ব্যক্তিগত লেনদেনকারীরা তাদের অফিসে উপস্থিত হন। তারা এসে দেখেন, মতিঝিল থানাধীন সিটি সেন্টারস্থ সকল ফ্লোরের অফিস খোলা থাকলেও ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষ অনুপস্থিত থাকায় কর্মচারীরা কোন প্রকার সেবা প্রদান করতে পারতে ছিল না। পরে তারা জানতে পারেন যে, আসামি ফ্লাইট এক্সপার্টের সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম ও মক্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ রশিদ শাহ সম্রাট ৫-৬ হাজার কোটি টাকা প্রতারণা মূলকভাবে আত্মসাৎ করে বিদেশ পালিয়েছে।

ফ্লাইট এক্সপার্ট তাদের নিজস্ব আইএটিএ এর বাইরে কতিপয় ট্রাভেলস এজেন্সির আইএটিএ ব্যবহার করে টিকিট বিক্রয় করত। যেমন— হাজী ইয়ার ট্রাভেলস লি., সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস, প্রোমা ইত্যাদি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

কোটি টাকা আত্মসাৎ: ফ্লাইট এক্সপার্টের তিন কর্মকর্তা কারাগারে

আপডেট সময় : ০৫:২০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

প্রতারণার মাধ্যমে চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অনলাইনে বিমানের টিকিট কাটার প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইট এক্সপার্টের’ তিন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— মো. সাকিব হোসেন, সাইদ আহমেদ ও এ.কে.এম সাদাত।

এদিন তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানার উপ পরিদর্শক মো. সাদ্দাম হোসেন তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এসময় আসামিপক্ষে তাদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

এর আগে রোববার সরকার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস প্রোপাইটার মো. বিপুল সরকার বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। এতে ফ্লাইট এক্সপার্টের সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম, মক্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, মো. সাকিব হোসেন, সাইদ আহমেদ ও এ.কে.এম সাদাত হোসেনকে আসামি করা। তাদের বিরুদ্ধে ১৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে চার কোটি ৭৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায়ী হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ ক্লায়েন্টদের বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং, প্যাকেজ ট্যুরস, হজ ও ওমরাহ প্রদানের ব্যবসা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় হাজার হাজার এজেন্সি ও লক্ষাধিক গ্রাহক সেবার জন্য আর্থিক লেনদেন করে ব্যবসা পরিচালনা করছিল। গত ২ আগস্ট সকাল থেকে আসামীদের অনলাইন সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।

এজন্য এজেন্সির মালিকরাসহ ব্যক্তিগত লেনদেনকারীরা তাদের অফিসে উপস্থিত হন। তারা এসে দেখেন, মতিঝিল থানাধীন সিটি সেন্টারস্থ সকল ফ্লোরের অফিস খোলা থাকলেও ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষ অনুপস্থিত থাকায় কর্মচারীরা কোন প্রকার সেবা প্রদান করতে পারতে ছিল না। পরে তারা জানতে পারেন যে, আসামি ফ্লাইট এক্সপার্টের সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম ও মক্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ রশিদ শাহ সম্রাট ৫-৬ হাজার কোটি টাকা প্রতারণা মূলকভাবে আত্মসাৎ করে বিদেশ পালিয়েছে।

ফ্লাইট এক্সপার্ট তাদের নিজস্ব আইএটিএ এর বাইরে কতিপয় ট্রাভেলস এজেন্সির আইএটিএ ব্যবহার করে টিকিট বিক্রয় করত। যেমন— হাজী ইয়ার ট্রাভেলস লি., সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস, প্রোমা ইত্যাদি।