ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

ইরান সব ধরনের ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে: জিসিসি মহাসচিব

গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়া এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর অব্যাহত হামলার মাধ্যম ইরান সব ধরনের রেড লাইন অতিক্রম করেছে বলে মন্তব্য করেছেন উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মহাসচিব জসিম মোহাম্মদ আল-বুদাইউই।


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৮৬ বার পড়া হয়েছে

জিসিসি মহাসচিব জসিম মোহাম্মদ আল-বুদাইউই। ছবি: রয়টার্স

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জিসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

 

জিসিসি মহাসচিব বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে এবং এর মধ্য দিয়ে যাতায়াতের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে; যা সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ চুক্তির লঙ্ঘন এবং আগ্রাসন। এছাড়া কিছু জাহাজ অপহরণ কিংবা হামলার শিকার হয়েছে।
 
আল-বুদাইউই বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর একটি ‘স্পষ্ট আগ্রাসন’। তেহরানের হামলায় সৌদি আরব ও কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‌‌‘জিসিসিভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের ‘অর্থনৈতিক ফুসফুস’ হিসেবে পরিচিত। তারা প্রতিদিন ১৬ বিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ২২ শতাংশ। এই দেশগুলো বিশ্বে ২৭ শতাংশ তেল রফতনি করে; যার পরিমাণ দৈনিক ১১.৫ বিলিয়ন ব্যারেল।’
 
আল-বুদাইউই বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলোতে ইরানের হামলা শুধু আরেকটি উত্তেজনার সম্প্রসারণ নয়; বরং এটি ইরান ও জিসিসি দেশগুলোর মধ্যকার পরিস্থিতি এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন।
 
জিসিসির মহাসচিব বলেন, ইরান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জিসিসিভুক্ত দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে এবং সরাসরি হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলা বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর ওপর চালানো হচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে চালানো ইরানি হামলায় স্থানীয় বাসিন্দা ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না বা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণের জন্য তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।
 
আল-বুদাইউই বলেন, জিসিসি দেশগুলো কখনোই ইরানের হামলার ‘জবাব বা পাল্টা হামলা চালায়নি’ এই আশায় যে তেহরান এসব হামলা বন্ধ করবে।
 
জিসিসিভুক্ত সব দেশ গত কয়েক বছর ধরে ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কাজ করে আসছে বলে জানান তিনি। গত বছরের জুনে ইরানে ইসরাইলের হামলার ঘটনায় জিসিসিভুক্ত দেশগুলো জরুরি বৈঠক করে ওই হামলার নিন্দা এবং কূটনৈতিক পথ বেছে নেয়ার আহ্বান জানায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ইরান সব ধরনের ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে: জিসিসি মহাসচিব

আপডেট সময় : ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জিসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

 

জিসিসি মহাসচিব বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে এবং এর মধ্য দিয়ে যাতায়াতের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে; যা সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ চুক্তির লঙ্ঘন এবং আগ্রাসন। এছাড়া কিছু জাহাজ অপহরণ কিংবা হামলার শিকার হয়েছে।
 
আল-বুদাইউই বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর একটি ‘স্পষ্ট আগ্রাসন’। তেহরানের হামলায় সৌদি আরব ও কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‌‌‘জিসিসিভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের ‘অর্থনৈতিক ফুসফুস’ হিসেবে পরিচিত। তারা প্রতিদিন ১৬ বিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ২২ শতাংশ। এই দেশগুলো বিশ্বে ২৭ শতাংশ তেল রফতনি করে; যার পরিমাণ দৈনিক ১১.৫ বিলিয়ন ব্যারেল।’
 
আল-বুদাইউই বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলোতে ইরানের হামলা শুধু আরেকটি উত্তেজনার সম্প্রসারণ নয়; বরং এটি ইরান ও জিসিসি দেশগুলোর মধ্যকার পরিস্থিতি এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন।
 
জিসিসির মহাসচিব বলেন, ইরান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জিসিসিভুক্ত দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে এবং সরাসরি হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলা বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর ওপর চালানো হচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে চালানো ইরানি হামলায় স্থানীয় বাসিন্দা ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না বা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণের জন্য তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।
 
আল-বুদাইউই বলেন, জিসিসি দেশগুলো কখনোই ইরানের হামলার ‘জবাব বা পাল্টা হামলা চালায়নি’ এই আশায় যে তেহরান এসব হামলা বন্ধ করবে।
 
জিসিসিভুক্ত সব দেশ গত কয়েক বছর ধরে ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কাজ করে আসছে বলে জানান তিনি। গত বছরের জুনে ইরানে ইসরাইলের হামলার ঘটনায় জিসিসিভুক্ত দেশগুলো জরুরি বৈঠক করে ওই হামলার নিন্দা এবং কূটনৈতিক পথ বেছে নেয়ার আহ্বান জানায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।