এক লাখ ইয়াবা কাণ্ডে অভিযুক্ত এসআই, তবুও মিলল পুরস্কার
- আপডেট সময় : ০৪:১৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ২০৬৮ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের উখিয়ায় এক লাখ পিস ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে আলোচনায় থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই ওই কর্মকর্তাকে নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উখিয়া উপজেলার বালুখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই গোলাম কিবরিয়া। তার বিরুদ্ধে প্রায় এক লাখ পিস ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যেই রোববার উখিয়া থানায় গিয়ে তার হাতে নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান।
অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার দিনই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করার ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ মাদক আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন থাকলে ওই কর্মকর্তাকে পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
পুলিশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সদস্যদের মাসিক সভায় পুরস্কৃত করা হয়। তবে এসআই গোলাম কিবরিয়ার ক্ষেত্রে অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার দিনই উখিয়া থানায় গিয়ে পুলিশ সুপার নিজ হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
একই ঘটনায় উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, এসআই গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা এক লাখ পিস ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে কী ধরনের তদন্ত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছে—এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
অভিযোগের মধ্যেই অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করার ঘটনায় এখন প্রশ্ন উঠেছে—অভিযোগের তদন্তের আগেই কেন এই পুরস্কার?


























