ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আবেদন করেও মিলছে না তথ্য, তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ


বিশেষ সংবাদদাতাঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২৪৩৯ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তথ্য। আবেদন ফাইলবন্দী পড়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিকার চেয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন ওয়াজেদ আলী নামে স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী।

 

তথ্য অধিকার আইন কার্যকর হয় ২০০৯ সালে। এরপর পনের বছর পেরিয়ে গেলেও আইনটি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তথ্যের জন্য আবেদন করে এ রকম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। এই আইনের আওতায় কোনো নাগরিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তথ্য চেয়ে আবেদন করলে ২০-৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে তথ্য সরবরাহ করার কথা। কিন্তু বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আইনটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণাও নেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর।

 

ওয়াজেদ আলী অভিযোগ করেন, আমি একজন নাগরিক হিসাবে “তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ ”এর ৮(১) ধারার ভিত্তিতে তথ্য পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস কোনো তথ্য দেননি।

২০১৪ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণসহ খাতওয়ারি খরচের হিসাব-সংক্রান্ত এবং কমিটির তথ্য চেয়ে এ প্রতিবেদক তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস এর কাছে গত ১৩ই জুলাই ২০২৫ আবেদন করেন। নির্দিষ্ট সময়ে তথ্য সরবরাহ না করায় , তথ্য না পাওয়ায় গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আপিল করবেন বলে জানান। এরপরও তথ্য না পেলে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দূদক বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একব্যক্তি জানান, গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিয়ম দূর্নীতির সাথে জড়িত। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাসহ অন্যান্য জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িত থেকে শিক্ষার মান নষ্ট করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে দূদকের অভিযান পরিচালনা হলে অনিয়ম দূর্নীতি বেরিয়ে আসবে।

 

এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস সাহেবকে না পেয়ে তাহার যোগাযোগ করার জন্য একাধিকবার মোবাইলে ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেন নাই।

 

আপিল করার কথা জানিয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুনুর রশিদ বলেন, আপিলের কপি পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

আবেদন করেও মিলছে না তথ্য, তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

 

 

 

 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তথ্য। আবেদন ফাইলবন্দী পড়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিকার চেয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন ওয়াজেদ আলী নামে স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী।

 

তথ্য অধিকার আইন কার্যকর হয় ২০০৯ সালে। এরপর পনের বছর পেরিয়ে গেলেও আইনটি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তথ্যের জন্য আবেদন করে এ রকম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। এই আইনের আওতায় কোনো নাগরিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তথ্য চেয়ে আবেদন করলে ২০-৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে তথ্য সরবরাহ করার কথা। কিন্তু বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আইনটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণাও নেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর।

 

ওয়াজেদ আলী অভিযোগ করেন, আমি একজন নাগরিক হিসাবে “তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ ”এর ৮(১) ধারার ভিত্তিতে তথ্য পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস কোনো তথ্য দেননি।

২০১৪ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণসহ খাতওয়ারি খরচের হিসাব-সংক্রান্ত এবং কমিটির তথ্য চেয়ে এ প্রতিবেদক তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস এর কাছে গত ১৩ই জুলাই ২০২৫ আবেদন করেন। নির্দিষ্ট সময়ে তথ্য সরবরাহ না করায় , তথ্য না পাওয়ায় গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আপিল করবেন বলে জানান। এরপরও তথ্য না পেলে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দূদক বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একব্যক্তি জানান, গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিয়ম দূর্নীতির সাথে জড়িত। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাসহ অন্যান্য জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িত থেকে শিক্ষার মান নষ্ট করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে দূদকের অভিযান পরিচালনা হলে অনিয়ম দূর্নীতি বেরিয়ে আসবে।

 

এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস সাহেবকে না পেয়ে তাহার যোগাযোগ করার জন্য একাধিকবার মোবাইলে ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেন নাই।

 

আপিল করার কথা জানিয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুনুর রশিদ বলেন, আপিলের কপি পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।