ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্যামনগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে সংখ্যালঘুর জমি দখল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী

কপ সম্মেলনে বাংলাদেশের দাবি: ঋণের বদলে অনুদান সহায়তা প্রয়োজন


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০২:৫২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১০৪ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত

পৃথিবীর সপ্তম জলবায়ু–ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। ঘনঘন ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও উষ্ণতা বৃদ্ধির মতো জলবায়ু–প্রভাবজনিত কারণে বিপন্ন হচ্ছে লাখো মানুষের জীবন–জীবিকা। গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক কোটি ৪৭ লাখের বেশি মানুষ।

এবারের জলবায়ু সম্মেলনে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ব্রাজিলের আমাজন–ঘেরা শহর বেলেমেতে অনুষ্ঠিত কপ–৩০ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য নতুন প্রতিশ্রুতি নয়; বরং ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির আওতায় উন্নত দেশগুলোর পূর্বঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে উন্নত দেশগুলোকে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রদান করতে হবে—এ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোর কাছে আমাদের দাবি—জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতিতে আমরা ঋণ নয়, অনুদান (গ্র্যান্ট) চাই। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ; তাই অভিযোজন কার্যক্রমের জন্যও বাড়তি অর্থায়ন প্রয়োজন।’

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে প্রথমবার কপ সম্মেলনে যোগ দেয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এমন বৈশ্বিক ফোরামে দাবি উত্থাপনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেন, ‘এখানে শুধু পরিবেশ নয়—মানুষের জীবন–জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের বিষয়ও জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মৎস্যখাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। শুধু দেশে বললে হবে না, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বলতে হবে। সে কারণেই আমরা খাদ্য ও কৃষি সংস্থার কাছে সহায়তা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করেছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

কপ সম্মেলনে বাংলাদেশের দাবি: ঋণের বদলে অনুদান সহায়তা প্রয়োজন

আপডেট সময় : ০২:৫২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

পৃথিবীর সপ্তম জলবায়ু–ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। ঘনঘন ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও উষ্ণতা বৃদ্ধির মতো জলবায়ু–প্রভাবজনিত কারণে বিপন্ন হচ্ছে লাখো মানুষের জীবন–জীবিকা। গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক কোটি ৪৭ লাখের বেশি মানুষ।

এবারের জলবায়ু সম্মেলনে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ব্রাজিলের আমাজন–ঘেরা শহর বেলেমেতে অনুষ্ঠিত কপ–৩০ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য নতুন প্রতিশ্রুতি নয়; বরং ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির আওতায় উন্নত দেশগুলোর পূর্বঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে উন্নত দেশগুলোকে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রদান করতে হবে—এ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোর কাছে আমাদের দাবি—জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতিতে আমরা ঋণ নয়, অনুদান (গ্র্যান্ট) চাই। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ; তাই অভিযোজন কার্যক্রমের জন্যও বাড়তি অর্থায়ন প্রয়োজন।’

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে প্রথমবার কপ সম্মেলনে যোগ দেয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এমন বৈশ্বিক ফোরামে দাবি উত্থাপনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেন, ‘এখানে শুধু পরিবেশ নয়—মানুষের জীবন–জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের বিষয়ও জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মৎস্যখাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। শুধু দেশে বললে হবে না, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বলতে হবে। সে কারণেই আমরা খাদ্য ও কৃষি সংস্থার কাছে সহায়তা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করেছে।’