কপ সম্মেলনে বাংলাদেশের দাবি: ঋণের বদলে অনুদান সহায়তা প্রয়োজন
- আপডেট সময় : ০২:৫২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
- / ২১০৩ বার পড়া হয়েছে
পৃথিবীর সপ্তম জলবায়ু–ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। ঘনঘন ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও উষ্ণতা বৃদ্ধির মতো জলবায়ু–প্রভাবজনিত কারণে বিপন্ন হচ্ছে লাখো মানুষের জীবন–জীবিকা। গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক কোটি ৪৭ লাখের বেশি মানুষ।
এবারের জলবায়ু সম্মেলনে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ব্রাজিলের আমাজন–ঘেরা শহর বেলেমেতে অনুষ্ঠিত কপ–৩০ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য নতুন প্রতিশ্রুতি নয়; বরং ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির আওতায় উন্নত দেশগুলোর পূর্বঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে উন্নত দেশগুলোকে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রদান করতে হবে—এ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোর কাছে আমাদের দাবি—জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতিতে আমরা ঋণ নয়, অনুদান (গ্র্যান্ট) চাই। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ; তাই অভিযোজন কার্যক্রমের জন্যও বাড়তি অর্থায়ন প্রয়োজন।’
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে প্রথমবার কপ সম্মেলনে যোগ দেয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এমন বৈশ্বিক ফোরামে দাবি উত্থাপনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
তিনি বলেন, ‘এখানে শুধু পরিবেশ নয়—মানুষের জীবন–জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের বিষয়ও জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মৎস্যখাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। শুধু দেশে বললে হবে না, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বলতে হবে। সে কারণেই আমরা খাদ্য ও কৃষি সংস্থার কাছে সহায়তা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করেছে।’






















