ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে আইসিসির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮৭ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রোববার আইসিসির কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু ভারত থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মনোভাব ইতিবাচক বলে জানা গেছে।

ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের সম্ভাবনা নাকচ করছে না আইসিসি। যদিও এখনো এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। তবে এক–দুই দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

আইসিসি বাংলাদেশের আবেদন মেনে নেওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি অনিশ্চিতই থাকছে। এই প্রেক্ষাপটে সংস্থাটির সামনে আরও দুটি বিকল্প পথ খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

প্রথম বিকল্প অনুযায়ী, ভারতে নির্ধারিত ম্যাচগুলোতে অংশ না নিলে বাংলাদেশকে ওয়াকওভার দিতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দলগুলো প্রতিটি ম্যাচে দুই পয়েন্ট করে পাবে। অতীতেও এমন নজির রয়েছে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলঙ্কায় খেলতে না গেলে নিয়ম অনুযায়ী স্বাগতিকরা দুটি ম্যাচেই জয় পায়। ওই বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক ছিল ভারত। আবার ২০০৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে না গিয়ে ম্যাচ পরিত্যক্ত করে, ফলে পূর্ণ পয়েন্ট পায় স্বাগতিকরা। একই আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে না খেলায় নিউজিল্যান্ডও ওয়াকওভার দেয়।

দ্বিতীয় বিকল্পটি আরও কঠোর। এতে বাংলাদেশকে পুরো বিশ্বকাপ থেকেই বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে এবং অন্য কোনো দেশকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে খেলতে না এলে তাদের পরিবর্তে বাছাইপর্বের রানার্সআপ আয়ারল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে নেওয়া হয়।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সব ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নির্ধারিত রয়েছে। হাতে সময় মাত্র এক মাস। এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশের আবেদন মেনে আইসিসি চারটি ম্যাচই ভারতের বাইরে আয়োজনের অনুমোদন দেয় কি না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে আইসিসির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রোববার আইসিসির কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু ভারত থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মনোভাব ইতিবাচক বলে জানা গেছে।

ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের সম্ভাবনা নাকচ করছে না আইসিসি। যদিও এখনো এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। তবে এক–দুই দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

আইসিসি বাংলাদেশের আবেদন মেনে নেওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি অনিশ্চিতই থাকছে। এই প্রেক্ষাপটে সংস্থাটির সামনে আরও দুটি বিকল্প পথ খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

প্রথম বিকল্প অনুযায়ী, ভারতে নির্ধারিত ম্যাচগুলোতে অংশ না নিলে বাংলাদেশকে ওয়াকওভার দিতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দলগুলো প্রতিটি ম্যাচে দুই পয়েন্ট করে পাবে। অতীতেও এমন নজির রয়েছে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলঙ্কায় খেলতে না গেলে নিয়ম অনুযায়ী স্বাগতিকরা দুটি ম্যাচেই জয় পায়। ওই বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক ছিল ভারত। আবার ২০০৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে না গিয়ে ম্যাচ পরিত্যক্ত করে, ফলে পূর্ণ পয়েন্ট পায় স্বাগতিকরা। একই আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে না খেলায় নিউজিল্যান্ডও ওয়াকওভার দেয়।

দ্বিতীয় বিকল্পটি আরও কঠোর। এতে বাংলাদেশকে পুরো বিশ্বকাপ থেকেই বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে এবং অন্য কোনো দেশকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে খেলতে না এলে তাদের পরিবর্তে বাছাইপর্বের রানার্সআপ আয়ারল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে নেওয়া হয়।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সব ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নির্ধারিত রয়েছে। হাতে সময় মাত্র এক মাস। এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশের আবেদন মেনে আইসিসি চারটি ম্যাচই ভারতের বাইরে আয়োজনের অনুমোদন দেয় কি না।