গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পরাজয় হলে ফ্যাসিবাদের পুনরায় উত্থান হবে
- আপডেট সময় : ০৫:০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২১৬০ বার পড়া হয়েছে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হলে বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে, যা কেউ ঠেকাতে পারবে না। ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন রোধ করতেই এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
মনির হায়দার বলেন, এবারের গণভোটে যদি ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হয়, তাহলে নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে। এই গণভোটের মূল উদ্দেশ্যই হলো ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানো।
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ কোনো ব্যক্তির একক চিন্তার ফসল নয়। এটি হঠাৎ করে তৈরি করে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। বরং এটি একটি জাতীয় সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
মনির হায়দার বলেন, সরকার, রাজনৈতিক দল ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা জাতির পক্ষে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আলোচনা, গবেষণা ও পরামর্শের মাধ্যমে এই সনদ প্রণয়ন করেছেন। গত ১৬ বছরসহ সামগ্রিকভাবে ৫৪ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে কোথায় কী ধরনের পরিবর্তন আনলে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানো সম্ভব—তা বিবেচনা করেই জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে। সহজ ভাষায় এটি ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের একটি প্রেসক্রিপশন।
তিনি বলেন, জুলাই সনদ অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে এবং তার দায় জাতি হিসেবেই আমাদের নিতে হবে।
মনির হায়দার আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ, সংস্কার উদ্যোগ ও গণভোটকে ঘিরে নেগেটিভ ক্যাম্পেইন, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর তৎপরতা সক্রিয়ভাবে চলছে। ২০২৪ সালে জনগণ যে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করেছে, তাদের ক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। তাদের হাতে এখনো বিপুল লুটের অর্থ রয়েছে এবং দেশি-বিদেশি কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর সমর্থন তারা পাচ্ছে। এসব শক্তির জোরেই তারা বাংলাদেশের মানুষের স্থায়ী মুক্তির সনদ বাস্তবায়ন ঠেকাতে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।


























