ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পরাজয় হলে ফ্যাসিবাদের পুনরায় উত্থান হবে


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১৫৯ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হলে বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে, যা কেউ ঠেকাতে পারবে না। ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন রোধ করতেই এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মনির হায়দার বলেন, এবারের গণভোটে যদি ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হয়, তাহলে নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে। এই গণভোটের মূল উদ্দেশ্যই হলো ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানো।

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ কোনো ব্যক্তির একক চিন্তার ফসল নয়। এটি হঠাৎ করে তৈরি করে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। বরং এটি একটি জাতীয় সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।

মনির হায়দার বলেন, সরকার, রাজনৈতিক দল ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা জাতির পক্ষে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আলোচনা, গবেষণা ও পরামর্শের মাধ্যমে এই সনদ প্রণয়ন করেছেন। গত ১৬ বছরসহ সামগ্রিকভাবে ৫৪ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে কোথায় কী ধরনের পরিবর্তন আনলে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানো সম্ভব—তা বিবেচনা করেই জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে। সহজ ভাষায় এটি ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের একটি প্রেসক্রিপশন।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে এবং তার দায় জাতি হিসেবেই আমাদের নিতে হবে।

মনির হায়দার আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ, সংস্কার উদ্যোগ ও গণভোটকে ঘিরে নেগেটিভ ক্যাম্পেইন, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর তৎপরতা সক্রিয়ভাবে চলছে। ২০২৪ সালে জনগণ যে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করেছে, তাদের ক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। তাদের হাতে এখনো বিপুল লুটের অর্থ রয়েছে এবং দেশি-বিদেশি কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর সমর্থন তারা পাচ্ছে। এসব শক্তির জোরেই তারা বাংলাদেশের মানুষের স্থায়ী মুক্তির সনদ বাস্তবায়ন ঠেকাতে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পরাজয় হলে ফ্যাসিবাদের পুনরায় উত্থান হবে

আপডেট সময় : ০৫:০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হলে বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে, যা কেউ ঠেকাতে পারবে না। ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন রোধ করতেই এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মনির হায়দার বলেন, এবারের গণভোটে যদি ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হয়, তাহলে নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে। এই গণভোটের মূল উদ্দেশ্যই হলো ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানো।

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ কোনো ব্যক্তির একক চিন্তার ফসল নয়। এটি হঠাৎ করে তৈরি করে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। বরং এটি একটি জাতীয় সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।

মনির হায়দার বলেন, সরকার, রাজনৈতিক দল ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা জাতির পক্ষে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আলোচনা, গবেষণা ও পরামর্শের মাধ্যমে এই সনদ প্রণয়ন করেছেন। গত ১৬ বছরসহ সামগ্রিকভাবে ৫৪ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে কোথায় কী ধরনের পরিবর্তন আনলে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানো সম্ভব—তা বিবেচনা করেই জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে। সহজ ভাষায় এটি ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের একটি প্রেসক্রিপশন।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে এবং তার দায় জাতি হিসেবেই আমাদের নিতে হবে।

মনির হায়দার আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ, সংস্কার উদ্যোগ ও গণভোটকে ঘিরে নেগেটিভ ক্যাম্পেইন, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর তৎপরতা সক্রিয়ভাবে চলছে। ২০২৪ সালে জনগণ যে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করেছে, তাদের ক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। তাদের হাতে এখনো বিপুল লুটের অর্থ রয়েছে এবং দেশি-বিদেশি কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর সমর্থন তারা পাচ্ছে। এসব শক্তির জোরেই তারা বাংলাদেশের মানুষের স্থায়ী মুক্তির সনদ বাস্তবায়ন ঠেকাতে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।