ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দিল্লি হাইকোর্টে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার আবেদন খারিজ


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯০ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভারতের দিল্লি হাইকোর্ট বাংলাদেশকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ চেয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল) গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে। মামলাটি দায়ের করেছিলেন ভারতের এক আইনশিক্ষার্থী, যিনি বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অভিযোগ এনেছিলেন।

বুধবার ডিভিশন বেঞ্চের প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার মামলা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর আপত্তি তোলেন। আদালত বলেন, “এই ধরনের প্রতিকার পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা শুধুমাত্র নির্বাহী বিভাগের এখতিয়ারে পড়ে।”

বেঞ্চ আরও উল্লেখ করেন, “ভারতীয় আদালত কোনো বিদেশি দেশের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে বা ভারতের বিচারিক সীমার বাইরে গিয়ে তদন্ত করতে পারে না। সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদ বিদেশি সরকার, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা বা অন্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ওপর প্রযোজ্য নয়।”

আদালত আবেদনকারীকে সতর্ক করে জানান, এই ধরনের মামলা পিআইএলের অপব্যবহার এবং বিচারিক সময় নষ্ট করার ঝুঁকি রাখে, যার জন্য জরিমানা আরোপ করা হতে পারে। শুনানির সময় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বিসিসিআইয়ের পক্ষে উপস্থিত হয়ে জানান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকেও মামলায় পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।

বেঞ্চ বারবার আবেদনকারীকে জানায়, আদালত বিদেশি ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে নির্দেশ দিতে পারবে না এবং ভারত সরকারের কোনো নির্দিষ্ট ব্যবহারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারবে না। পাকিস্তানের আদালতের রায়কে ভিত্তি করে যুক্তি দেওয়ার প্রস্তাবও আদালত প্রত্যাখ্যান করে।

শেষ পর্যন্ত, আবেদনকারী পিআইএলটি প্রত্যাহার করেন। প্রধান বিচারপতি তাকে গঠনমূলক কাজে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন এবং বলেন, “এ ধরনের মামলা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয় ও অকারণে আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

দিল্লি হাইকোর্টে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার আবেদন খারিজ

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের দিল্লি হাইকোর্ট বাংলাদেশকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ চেয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল) গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে। মামলাটি দায়ের করেছিলেন ভারতের এক আইনশিক্ষার্থী, যিনি বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অভিযোগ এনেছিলেন।

বুধবার ডিভিশন বেঞ্চের প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার মামলা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর আপত্তি তোলেন। আদালত বলেন, “এই ধরনের প্রতিকার পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা শুধুমাত্র নির্বাহী বিভাগের এখতিয়ারে পড়ে।”

বেঞ্চ আরও উল্লেখ করেন, “ভারতীয় আদালত কোনো বিদেশি দেশের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে বা ভারতের বিচারিক সীমার বাইরে গিয়ে তদন্ত করতে পারে না। সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদ বিদেশি সরকার, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা বা অন্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ওপর প্রযোজ্য নয়।”

আদালত আবেদনকারীকে সতর্ক করে জানান, এই ধরনের মামলা পিআইএলের অপব্যবহার এবং বিচারিক সময় নষ্ট করার ঝুঁকি রাখে, যার জন্য জরিমানা আরোপ করা হতে পারে। শুনানির সময় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বিসিসিআইয়ের পক্ষে উপস্থিত হয়ে জানান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকেও মামলায় পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।

বেঞ্চ বারবার আবেদনকারীকে জানায়, আদালত বিদেশি ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে নির্দেশ দিতে পারবে না এবং ভারত সরকারের কোনো নির্দিষ্ট ব্যবহারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারবে না। পাকিস্তানের আদালতের রায়কে ভিত্তি করে যুক্তি দেওয়ার প্রস্তাবও আদালত প্রত্যাখ্যান করে।

শেষ পর্যন্ত, আবেদনকারী পিআইএলটি প্রত্যাহার করেন। প্রধান বিচারপতি তাকে গঠনমূলক কাজে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন এবং বলেন, “এ ধরনের মামলা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয় ও অকারণে আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।”