ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সাজ্জাদের বড় ভাই সেগুন গ্রেফতার


সৈয়দ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২১০৯ বার পড়া হয়েছে

​চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের বড় ভাই ওসমান আলী ওরফে সেগুনকে ফের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে নগরের খুলশী এলাকার ইমপেরিয়াল হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক সেগুন গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সহসভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

​খুলশী থানা পুলিশ জানায়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করার পর নগরের মনসুরাবাদ ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ডিবি ও খুলশী থানা পুলিশের যৌথ সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে বিশেষ হেফাজতে রেখে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের প্রস্তুতি চলছে।
​ওসমান আলী সেগুন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকার মৃত আব্দুল গণি কন্ট্রাক্টরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে গত ২৬ মে নগরের পাঁচলাইশ এলাকার একটি ক্লাব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব ও পুলিশ। মূলত ‘ঢাকাইয়া আকবর’ হিসেবে পরিচিত সন্ত্রাসী আলী আকবর হত্যা মামলায় তার সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। গত ২৪ মে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে হামলার শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকবর মারা গেলে তার স্ত্রী রুপালী বেগম যে হত্যা মামলাটি করেছিলেন, ওসমান আলী সেগুন সেই মামলার অন্যতম আসামি।

পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, গত ৫ নভেম্বর চালিতাতলী হাজিরপোল এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালীন সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা হত্যাকাণ্ডের পেছনেও সেগুনের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অপরাধ জগতের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। মূলত এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের স্বার্থেই তাকে নতুন করে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

চট্টগ্রামে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সাজ্জাদের বড় ভাই সেগুন গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১২:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

​চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের বড় ভাই ওসমান আলী ওরফে সেগুনকে ফের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে নগরের খুলশী এলাকার ইমপেরিয়াল হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক সেগুন গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সহসভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

​খুলশী থানা পুলিশ জানায়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করার পর নগরের মনসুরাবাদ ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ডিবি ও খুলশী থানা পুলিশের যৌথ সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে বিশেষ হেফাজতে রেখে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের প্রস্তুতি চলছে।
​ওসমান আলী সেগুন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকার মৃত আব্দুল গণি কন্ট্রাক্টরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে গত ২৬ মে নগরের পাঁচলাইশ এলাকার একটি ক্লাব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব ও পুলিশ। মূলত ‘ঢাকাইয়া আকবর’ হিসেবে পরিচিত সন্ত্রাসী আলী আকবর হত্যা মামলায় তার সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। গত ২৪ মে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে হামলার শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকবর মারা গেলে তার স্ত্রী রুপালী বেগম যে হত্যা মামলাটি করেছিলেন, ওসমান আলী সেগুন সেই মামলার অন্যতম আসামি।

পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, গত ৫ নভেম্বর চালিতাতলী হাজিরপোল এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালীন সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা হত্যাকাণ্ডের পেছনেও সেগুনের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অপরাধ জগতের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। মূলত এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের স্বার্থেই তাকে নতুন করে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।