ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের নির্দেশনা প্রত্যাহার না করা হলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নাহিদ।


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯৬ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাওয়ের কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি ঢাকা–১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি আজকের মধ্যে পরিবর্তন না করা হলে মঙ্গলবার কমিশন ঘেরাও করা হবে।

এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়, কেবল ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পুলিশ ইনচার্জ, আনসার সদস্য এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন রাখতে পারবেন। অন্য কেউ মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন না।

এই নির্দেশনার সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, কার পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তা জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তিনি দাবি করেন, মানুষের তথ্য জানার অধিকার ও কণ্ঠস্বর রোধ করতেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট কারচুপি, মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করা এবং নাগরিকদের তথ্য অধিকার সীমিত করার কোনো আইন মেনে নেওয়া হবে না।

নাহিদ ইসলাম জানান, এনসিপির প্রতিনিধিরা নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন। এ সময় তিনি কমিশনকে সতর্ক করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়, তবে এর পরিণতি অতীতের ফ্যাসিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের চেয়েও ভয়াবহ হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের নির্দেশনা প্রত্যাহার না করা হলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নাহিদ।

আপডেট সময় : ০৩:৩০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাওয়ের কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি ঢাকা–১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি আজকের মধ্যে পরিবর্তন না করা হলে মঙ্গলবার কমিশন ঘেরাও করা হবে।

এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়, কেবল ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পুলিশ ইনচার্জ, আনসার সদস্য এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন রাখতে পারবেন। অন্য কেউ মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন না।

এই নির্দেশনার সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, কার পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তা জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তিনি দাবি করেন, মানুষের তথ্য জানার অধিকার ও কণ্ঠস্বর রোধ করতেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট কারচুপি, মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করা এবং নাগরিকদের তথ্য অধিকার সীমিত করার কোনো আইন মেনে নেওয়া হবে না।

নাহিদ ইসলাম জানান, এনসিপির প্রতিনিধিরা নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন। এ সময় তিনি কমিশনকে সতর্ক করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়, তবে এর পরিণতি অতীতের ফ্যাসিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের চেয়েও ভয়াবহ হবে।