ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা জারি, পরীক্ষার পূর্ণমান ৪০০ নম্বর নির্ধারণ


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৮৭ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ জারি করেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এ পরীক্ষা এখন থেকে মোট ৪০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত নীতিমালা গতকাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন নীতিমালা ২০২৬ সাল থেকে প্রযোজ্য হবে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাও নতুন নীতিমালার আলোকে অনুষ্ঠিত হবে।

যোগ্যতা ও হার:
সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চতুর্থ শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, আর বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবি’র পাঠ্যক্রম অনুসরণ এবং ‘আইপিইএমআইএস’-এ সক্রিয় থাকা বাধ্যতামূলক।

পরীক্ষার বিষয় ও মানবণ্টন:
বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরের। বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান (সমন্বিত) প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট। বৃত্তি পেতে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন আবশ্যক।

বৃত্তির ধরন ও কোটা:
দুই ধরনের বৃত্তি থাকবে—ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ। উভয় ক্ষেত্রে ৫০% ছাত্র ও ৫০% ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। মোট বৃত্তির ৮০% সরকারি এবং ২০% বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি উপজেলা/থানা ভিত্তিক মেধার ক্রমানুসারে প্রদান করা হবে। সাধারণ বৃত্তি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে, যেখানে প্রতি ইউনিয়নে দুইজন ছাত্র, দুইজন ছাত্রী এবং একজন মেধা কোটাসহ মোট ৫টি বৃত্তি থাকবে।

পরিচালনা ও তদারকি:
জাতীয় পর্যায়ে স্টিয়ারিং কমিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়ম বা অবহেলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই নীতিমালা জারির পূর্বে ২০০৮ সালের প্রাথমিক বৃত্তি নীতিমালা এবং এর পূর্ববর্তী সকল নীতিমালা বাতিল হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা জারি, পরীক্ষার পূর্ণমান ৪০০ নম্বর নির্ধারণ

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ জারি করেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এ পরীক্ষা এখন থেকে মোট ৪০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত নীতিমালা গতকাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন নীতিমালা ২০২৬ সাল থেকে প্রযোজ্য হবে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাও নতুন নীতিমালার আলোকে অনুষ্ঠিত হবে।

যোগ্যতা ও হার:
সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চতুর্থ শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, আর বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবি’র পাঠ্যক্রম অনুসরণ এবং ‘আইপিইএমআইএস’-এ সক্রিয় থাকা বাধ্যতামূলক।

পরীক্ষার বিষয় ও মানবণ্টন:
বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরের। বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান (সমন্বিত) প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট। বৃত্তি পেতে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন আবশ্যক।

বৃত্তির ধরন ও কোটা:
দুই ধরনের বৃত্তি থাকবে—ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ। উভয় ক্ষেত্রে ৫০% ছাত্র ও ৫০% ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। মোট বৃত্তির ৮০% সরকারি এবং ২০% বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি উপজেলা/থানা ভিত্তিক মেধার ক্রমানুসারে প্রদান করা হবে। সাধারণ বৃত্তি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে, যেখানে প্রতি ইউনিয়নে দুইজন ছাত্র, দুইজন ছাত্রী এবং একজন মেধা কোটাসহ মোট ৫টি বৃত্তি থাকবে।

পরিচালনা ও তদারকি:
জাতীয় পর্যায়ে স্টিয়ারিং কমিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়ম বা অবহেলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই নীতিমালা জারির পূর্বে ২০০৮ সালের প্রাথমিক বৃত্তি নীতিমালা এবং এর পূর্ববর্তী সকল নীতিমালা বাতিল হবে।