ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পাম্পের নিরাপত্তায় পুলিশ-সেনা মোতায়েন চায় ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৮৫ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে ফিলিং স্টেশনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর মালিবাগের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে পাম্প মালিকরা বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারকদের বক্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। একদিকে বলা হচ্ছে দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, অন্যদিকে রেশনিং করে তেল সরবরাহের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। ফলে অনেকেই অতিরিক্ত তেল কিনতে পাম্পে ভিড় করছেন।

তারা বলেন, নীতিনির্ধারকরা যদি দায়িত্বশীলভাবে বক্তব্য দিতেন, তবে গুজব ও অযথা আতঙ্ক ছড়াতো না। প্যানিক বায়িংয়ের কারণে বাজার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে এবং এর চাপ পড়ছে পাম্প মালিকদের ওপর।

সংগঠনের নেতারা জানান, দেশের উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চলসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের অনেক পাম্পে নিয়মিত তেল সরবরাহ হচ্ছে না। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় অনেক জায়গায় ভোক্তাদের অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হচ্ছে।

এ সময় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সংকট নিরসনে আট দফা দাবি তুলে ধরে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন, পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি, মোটরসাইকেলের জন্য তেল সরবরাহে কোনো ধরনের বৈষম্য না করা এবং গুজব ছড়িয়ে অবৈধভাবে তেল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, সরকার যে নির্দেশনা দেবে তা মেনে চলতে পাম্প মালিকরা প্রস্তুত। তবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় সাধারণ ভোক্তাদের অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য, প্যানিক বায়িং বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে। তাই সরকারি রেশনিং ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হতে দেওয়ার জন্য সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

পাম্পের নিরাপত্তায় পুলিশ-সেনা মোতায়েন চায় ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

আপডেট সময় : ০৫:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে ফিলিং স্টেশনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর মালিবাগের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে পাম্প মালিকরা বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারকদের বক্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। একদিকে বলা হচ্ছে দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে, অন্যদিকে রেশনিং করে তেল সরবরাহের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। ফলে অনেকেই অতিরিক্ত তেল কিনতে পাম্পে ভিড় করছেন।

তারা বলেন, নীতিনির্ধারকরা যদি দায়িত্বশীলভাবে বক্তব্য দিতেন, তবে গুজব ও অযথা আতঙ্ক ছড়াতো না। প্যানিক বায়িংয়ের কারণে বাজার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে এবং এর চাপ পড়ছে পাম্প মালিকদের ওপর।

সংগঠনের নেতারা জানান, দেশের উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চলসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের অনেক পাম্পে নিয়মিত তেল সরবরাহ হচ্ছে না। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় অনেক জায়গায় ভোক্তাদের অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হচ্ছে।

এ সময় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সংকট নিরসনে আট দফা দাবি তুলে ধরে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন, পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি, মোটরসাইকেলের জন্য তেল সরবরাহে কোনো ধরনের বৈষম্য না করা এবং গুজব ছড়িয়ে অবৈধভাবে তেল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, সরকার যে নির্দেশনা দেবে তা মেনে চলতে পাম্প মালিকরা প্রস্তুত। তবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় সাধারণ ভোক্তাদের অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য, প্যানিক বায়িং বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে। তাই সরকারি রেশনিং ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হতে দেওয়ার জন্য সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।