ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদে আইনমন্ত্রী: বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২৩,৮৬৫ মামলা প্রত্যাহার


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২১১২ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, এসব মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (১ মার্চ) সংসদ অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট কতগুলো হয়রানিমূলক বা মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করা হয় না। ফলে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট মামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।

তিনি আরও জানান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলা হয়েছে, যা তারা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে চার সদস্যের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি মামলা সংক্রান্ত নথিপত্র ও পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে যাচাই করছে, মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কিনা।

তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে মামলা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন না থাকলে এবং রাষ্ট্রের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে সেগুলো প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের সুপারিশ যাচাইয়ের জন্য ২০২৬ সালের ৮ মার্চ ছয় সদস্যের আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বাকি মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সংসদে আইনমন্ত্রী: বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২৩,৮৬৫ মামলা প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, এসব মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (১ মার্চ) সংসদ অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট কতগুলো হয়রানিমূলক বা মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করা হয় না। ফলে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট মামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।

তিনি আরও জানান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলা হয়েছে, যা তারা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে চার সদস্যের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি মামলা সংক্রান্ত নথিপত্র ও পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে যাচাই করছে, মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কিনা।

তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে মামলা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন না থাকলে এবং রাষ্ট্রের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে সেগুলো প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের সুপারিশ যাচাইয়ের জন্য ২০২৬ সালের ৮ মার্চ ছয় সদস্যের আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বাকি মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।