যশোরের জাবির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত শহীদ আবরার নীলের মা জেসমিন আক্তার অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ৯ বছরের নিষ্পাপ বাচ্চা আগুন নেভাতে গিয়ে পুড়ে মারা গেছে। সে গিয়েছিল উদ্ধার করতে। সে কীভাবে দুর্বৃত্ত হলো? তাকে নিয়ে রাজনীতি করবেন, লুটকারীর কলঙ্ক দেবেন না’। শহীদদের স্বজনরা বলেন, প্রথম আলো ১৬ শহীদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে লিখলেও প্রকৃতপক্ষে আমাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ না করেই মতামত ছেপেছে। এটা গুরুতর নীতিবিরোধী কাজ। মানববন্ধনে জুলাই শহীদ স্বজনদের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের সাবেক আহ্বায়ক রাশেদ খান, শহীদ ইউসুফ আলীর মা শাহীনা খাতুন, শহীদ সোহানুর রহমানের বাবা আনোয়ার হোসেন লাল্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পলায়নের দিন ৫ আগস্ট বিকালে যশোরের পাঁচ তারকাবিশিষ্ট জাবির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৪ জন নিহত হন। তাদের প্রায় সবাই জুলাই যোদ্ধা এবং আগুন নেভানো ও উদ্ধারকাজে অংশ নিতে গিয়ে প্রাণ হারান। জাবির হোটেলটি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যশোর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের। তিনি বিনা ভোটের নির্বাচনে যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যশোর-৬ আসন থেকে দুই দফায় সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।
এই হোটেলটিকে আওয়ামী আমলের যশোরের দুঃশাসন ও নিপীড়নের প্রতীক হিসেবে দেখে যশোরবাসী। ১৭ তলাবিশিষ্ট এই অভিজাত হোটেলটি ছিল সমাজবিরোধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল।






















