ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

জামালপুরে পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


মোঃ আহসান হাবীব সুমন
  • আপডেট সময় : ০১:২১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২১৬৭ বার পড়া হয়েছে

জামালপুর পুলিশ লাইন্স ভেন্যুতে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)-এর সহযোগিতায় জেলা পুলিশ, জামালপুরের আয়োজনে “পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতা ও মনোসামাজিক সহায়তা উন্নয়নে” প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতা রক্ষা করা এবং মানসিক চাপ, ট্রমা বা সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে নিজেদের ও সহকর্মীদের সহায়তা করার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর জেলার মান্যবর পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা।

পুলিশ সুপার প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন—
“আমরা যে পরিমাণ মানসিক চাপ নেই, তা সম্ভবত অন্য কোনো পেশায় এতটা নেই। পারিবারিক চাপ, প্রত্যাশিত ছুটি না পাওয়া, সময়মতো প্রমোশন না পাওয়া, পরিবারের থেকে দূরে থাকা—সব মিলিয়ে আমাদের ভেতরে বিশাল এক মানসিক চাপ কাজ করে। মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করি, প্রতিনিয়ত খুন, দুর্ঘটনা, সহিংসতা দেখি—যার ফলে মানসিকভাবে একধরনের ট্রমা তৈরি হয়। অথচ আমরা কাউকে এই কষ্টের কথা বলতেও পারি না। তাই এমন প্রশিক্ষণ আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

তিনি আরও বলেন—
“বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি ইউনিটেই এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজন করা জরুরি। পুলিশের কাছে মানুষ সবচেয়ে বেশি যা প্রত্যাশা করে তা হলো ভালো ব্যবহার। আশা করি, আজকের প্রশিক্ষণ থেকে সবাই কিছু না কিছু শিখে নিজের কর্মজীবনে প্রয়োগ করতে পারবে।”

দেশের প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন—
“এই দেশ মাতৃকার প্রতি আমাদের অনেক দায় আছে। তাই এ উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, ভবিষ্যতে সারাদেশের প্রতিটি জেলা ও থানা পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ সোহেল মাহমুদ, পিপিএম; UNFPA মাঠ কর্মকর্তা জনাব মোঃ আতাহার আলী; এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয় জামালপুর পুলিশ লাইন্স হলরুমে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

জামালপুরে পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০১:২১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

জামালপুর পুলিশ লাইন্স ভেন্যুতে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)-এর সহযোগিতায় জেলা পুলিশ, জামালপুরের আয়োজনে “পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতা ও মনোসামাজিক সহায়তা উন্নয়নে” প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতা রক্ষা করা এবং মানসিক চাপ, ট্রমা বা সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে নিজেদের ও সহকর্মীদের সহায়তা করার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর জেলার মান্যবর পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা।

পুলিশ সুপার প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন—
“আমরা যে পরিমাণ মানসিক চাপ নেই, তা সম্ভবত অন্য কোনো পেশায় এতটা নেই। পারিবারিক চাপ, প্রত্যাশিত ছুটি না পাওয়া, সময়মতো প্রমোশন না পাওয়া, পরিবারের থেকে দূরে থাকা—সব মিলিয়ে আমাদের ভেতরে বিশাল এক মানসিক চাপ কাজ করে। মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করি, প্রতিনিয়ত খুন, দুর্ঘটনা, সহিংসতা দেখি—যার ফলে মানসিকভাবে একধরনের ট্রমা তৈরি হয়। অথচ আমরা কাউকে এই কষ্টের কথা বলতেও পারি না। তাই এমন প্রশিক্ষণ আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

তিনি আরও বলেন—
“বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি ইউনিটেই এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজন করা জরুরি। পুলিশের কাছে মানুষ সবচেয়ে বেশি যা প্রত্যাশা করে তা হলো ভালো ব্যবহার। আশা করি, আজকের প্রশিক্ষণ থেকে সবাই কিছু না কিছু শিখে নিজের কর্মজীবনে প্রয়োগ করতে পারবে।”

দেশের প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন—
“এই দেশ মাতৃকার প্রতি আমাদের অনেক দায় আছে। তাই এ উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, ভবিষ্যতে সারাদেশের প্রতিটি জেলা ও থানা পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ সোহেল মাহমুদ, পিপিএম; UNFPA মাঠ কর্মকর্তা জনাব মোঃ আতাহার আলী; এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয় জামালপুর পুলিশ লাইন্স হলরুমে।