ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্যামনগরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে সংখ্যালঘুর জমি দখল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী

আজ জেলহত্যা দিবস


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১২৫ বার পড়া হয়েছে

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ওই বছরই ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ জাতীয় চার নেতাকে। মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশকে হত্যা করতেই এই কালো অধ্যায়। বিশিষ্টজনরা বলছেন, ব্যক্তিকে হত্যা করা গেলেও আদর্শকে হত্যা করা যায় না।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে। এর কিছুদিন পরই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে খুন হন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর জাতীয় চার নেতা।

কারাগারে বন্দি অবস্থায় জীবন দিতে হয় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতারের পর মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। এই সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এইচ এম কামারুজ্জামান।

কলঙ্কজনক এই দিনটিকে জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালন করে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। ১৯৯৬ সালে জেলহত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করে অবশেষে কয়েক আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান এবং কার্যকর হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

আজ জেলহত্যা দিবস

আপডেট সময় : ১০:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ওই বছরই ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ জাতীয় চার নেতাকে। মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশকে হত্যা করতেই এই কালো অধ্যায়। বিশিষ্টজনরা বলছেন, ব্যক্তিকে হত্যা করা গেলেও আদর্শকে হত্যা করা যায় না।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে। এর কিছুদিন পরই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে খুন হন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর জাতীয় চার নেতা।

কারাগারে বন্দি অবস্থায় জীবন দিতে হয় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতারের পর মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। এই সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এইচ এম কামারুজ্জামান।

কলঙ্কজনক এই দিনটিকে জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালন করে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। ১৯৯৬ সালে জেলহত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করে অবশেষে কয়েক আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান এবং কার্যকর হয়।