ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁস, তদন্ত কমিটি না হলেও নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১৪০ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁসের ঘটনায় এবার কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি হচ্ছে না। তবে অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপি কমিশনার।

বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁসের ঘটনায় আমরা অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। যে বা যারা এর সঙ্গে জড়িত তাকে সাজা পেতে হবে।

চট্টগ্রামে গুলি করে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিএমপি কমিশনার আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারী এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দেখামাত্র ব্রাশফায়ার করার নির্দেশ দেন। ১১ নভেম্বর দুপুরে ওয়ারল্যাস সেটে সিএমপির সব সদস্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক মৌখিক আদেশে তিনি টহল ও থানা পুলিশকে একযোগে এ নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

‘ব্রাশফায়ারের’ আদেশের সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘শটগান হবে না, চায়না রাইফেলও বাদ, এখন এসএমজি ব্রাশফায়ার মুডে থাকবে।’

বেতারবার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘দেখামাত্র ব্রাশফায়ার নিরস্ত্র জনসাধারণের জন্য নয়।

যার হাতে অস্ত্র নেই, তার ওপর তো আর এসএমজি ইউজ করব না। সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী যারা তাদের জন্য এই নির্দেশনা। আমার এলাকায় ঢুকে প্রকাশ্য দিবালোকে একটা খুন করে গেল। এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে তারা যেন আর সাহস না পায়।
এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে চট্টগ্রাম নগরে ঢোকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। তারা যেন স্বপ্নেও এটি কল্পনা করতে না পারে, সেজন্যই এই ব্যবস্থা।’ 

বার্তায় পুলিশ সদস্যদের দণ্ডবিধি ৯৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত, আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার সব পুলিশ অফিসারের আছে বলে স্মরণ করিয়ে দিয়ে সব দায় কমিশনার বহন করার ঘোষণা দেন। যেকোনো পরিস্থিতি এবং নাশকতা এড়াতে টহল টিমগুলোকে এসএমজি ছাড়াও, শিশা শটগান, দুইটি গ্যাস গান এবং টিম ইনচার্জকে নাইন এমএম পিস্তল বহন করতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বন্দর থানায় সন্ত্রাসীদের হামলা পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক আহত হওয়ার পর সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার, দণ্ডবিধি ৯৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত, সকল পুলিশ অফিসারের আছে।

অস্ত্র কিংবা কোপ দেওয়ার আগে অস্ত্র বের করা মাত্র গুলি হবে। সরকারি গুলির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’ 

সেই বার্তা ফাঁসের অভিযোগে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে মামলা করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট পুলিশ টেলিকম ইউনিটের সদস্য অমি দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অমি দাশ এখনও কারাগারে আছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁস, তদন্ত কমিটি না হলেও নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁসের ঘটনায় এবার কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি হচ্ছে না। তবে অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপি কমিশনার।

বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ওয়্যারলেস বার্তা ফাঁসের ঘটনায় আমরা অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। যে বা যারা এর সঙ্গে জড়িত তাকে সাজা পেতে হবে।

চট্টগ্রামে গুলি করে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিএমপি কমিশনার আগ্নেয়াস্ত্র বহনকারী এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দেখামাত্র ব্রাশফায়ার করার নির্দেশ দেন। ১১ নভেম্বর দুপুরে ওয়ারল্যাস সেটে সিএমপির সব সদস্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক মৌখিক আদেশে তিনি টহল ও থানা পুলিশকে একযোগে এ নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

‘ব্রাশফায়ারের’ আদেশের সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘শটগান হবে না, চায়না রাইফেলও বাদ, এখন এসএমজি ব্রাশফায়ার মুডে থাকবে।’

বেতারবার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘দেখামাত্র ব্রাশফায়ার নিরস্ত্র জনসাধারণের জন্য নয়।

যার হাতে অস্ত্র নেই, তার ওপর তো আর এসএমজি ইউজ করব না। সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী যারা তাদের জন্য এই নির্দেশনা। আমার এলাকায় ঢুকে প্রকাশ্য দিবালোকে একটা খুন করে গেল। এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে তারা যেন আর সাহস না পায়।
এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে চট্টগ্রাম নগরে ঢোকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। তারা যেন স্বপ্নেও এটি কল্পনা করতে না পারে, সেজন্যই এই ব্যবস্থা।’ 

বার্তায় পুলিশ সদস্যদের দণ্ডবিধি ৯৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত, আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার সব পুলিশ অফিসারের আছে বলে স্মরণ করিয়ে দিয়ে সব দায় কমিশনার বহন করার ঘোষণা দেন। যেকোনো পরিস্থিতি এবং নাশকতা এড়াতে টহল টিমগুলোকে এসএমজি ছাড়াও, শিশা শটগান, দুইটি গ্যাস গান এবং টিম ইনচার্জকে নাইন এমএম পিস্তল বহন করতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বন্দর থানায় সন্ত্রাসীদের হামলা পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক আহত হওয়ার পর সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার, দণ্ডবিধি ৯৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত, সকল পুলিশ অফিসারের আছে।

অস্ত্র কিংবা কোপ দেওয়ার আগে অস্ত্র বের করা মাত্র গুলি হবে। সরকারি গুলির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’ 

সেই বার্তা ফাঁসের অভিযোগে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে মামলা করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট পুলিশ টেলিকম ইউনিটের সদস্য অমি দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অমি দাশ এখনও কারাগারে আছেন।