ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

নির্বাচনে ব্যাঘাত ঘটানোর মতো সক্ষমতা নেই আওয়ামী লীগের : প্রেস সচিব


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০৯০ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক তিনটি ঘটনা এই বিশ্বাসকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

শনিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্ট্যাটাসে তিনি যে তিনটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন, তা হলো—

১. বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন
শফিকুল আলম লিখেছেন, বিএনপি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের সময় উল্লেখযোগ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করেছিলেন। তবে সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার বাইরে পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, এটি দেখায় যে বিএনপি নেতৃত্ব মনোনয়ন নিয়ে প্রস্তুত ছিল এবং দলের ভেতরে গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া বজায় ছিল। ফলে নির্বাচনি প্রচারণা ও ভোটের সময় দলীয় অভ্যন্তরীণ সংঘাতের সম্ভাবনা কম।

২. আওয়ামী লীগের মাঠ–সংগঠনের সক্ষমতা সীমিত হওয়া স্পষ্ট
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আওয়ামী লীগের মাঠ পর্যায়ের সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দলটির কর্মসূচি বাস্তবায়নের সক্ষমতা এখন সীমিত এবং অনিয়মিত কিছু প্রতিবাদী কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভরশীল। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই অবস্থায় দলটির পক্ষে নির্বাচন ব্যাহত করার মতো সংগঠিত শক্তি অবশিষ্ট নেই।

৩. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয় ও প্রস্তুতি বেড়েছে
শফিকুল আলম লিখেছেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী ও মাঠ প্রশাসনের মধ্যে নতুন আস্থা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন তদারকির জন্য অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর আশা—তারা একটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

নির্বাচনে ব্যাঘাত ঘটানোর মতো সক্ষমতা নেই আওয়ামী লীগের : প্রেস সচিব

আপডেট সময় : ১১:৫২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক তিনটি ঘটনা এই বিশ্বাসকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

শনিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্ট্যাটাসে তিনি যে তিনটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন, তা হলো—

১. বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন
শফিকুল আলম লিখেছেন, বিএনপি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের সময় উল্লেখযোগ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করেছিলেন। তবে সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার বাইরে পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, এটি দেখায় যে বিএনপি নেতৃত্ব মনোনয়ন নিয়ে প্রস্তুত ছিল এবং দলের ভেতরে গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া বজায় ছিল। ফলে নির্বাচনি প্রচারণা ও ভোটের সময় দলীয় অভ্যন্তরীণ সংঘাতের সম্ভাবনা কম।

২. আওয়ামী লীগের মাঠ–সংগঠনের সক্ষমতা সীমিত হওয়া স্পষ্ট
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আওয়ামী লীগের মাঠ পর্যায়ের সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দলটির কর্মসূচি বাস্তবায়নের সক্ষমতা এখন সীমিত এবং অনিয়মিত কিছু প্রতিবাদী কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভরশীল। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই অবস্থায় দলটির পক্ষে নির্বাচন ব্যাহত করার মতো সংগঠিত শক্তি অবশিষ্ট নেই।

৩. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয় ও প্রস্তুতি বেড়েছে
শফিকুল আলম লিখেছেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী ও মাঠ প্রশাসনের মধ্যে নতুন আস্থা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন তদারকির জন্য অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর আশা—তারা একটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন।