ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- আপডেট সময় : ০৬:৪৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
- / ২১০০ বার পড়া হয়েছে
অগ্রণী ব্যাংকের ১৮৯ কোটি টাকার ঋণ কেলেঙ্কারি মামলায় ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর আজ তাঁকে আদালতে তোলা হলে এ আদেশ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মশিউর রহমান জানান, ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে আজ ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজালাল তাঁকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, পরস্পর যোগসাজশে অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জ শাখা থেকে ট্রাস্ট রিসিপ্ট (টিআর) সুবিধার মাধ্যমে ৫১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা সুদে-আসলে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায়। মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় আসামিকে জামিন দিলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে।
ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি রূপালী ব্যাংকের এমডি ও অগ্রণী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের আছাদগঞ্জ শাখায় অনিয়ম করে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
মামলার অপর আসামিরা হলেন—অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও সৈয়দ আবদুল হামিদ, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ও জিএম মোস্তাক আহমেদ, সাবেক ডিপুটি জিএম মো. আবুল হোসেন তালুকদার, সাবেক জিএম মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, সাবেক ডিপুটি জিএম তাজরীনা ফেরদৌসী, সাবেক জিএম মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং মেসার্স মিজান ট্রেডার্স, জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেডসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চার কর্মকর্তা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের নামে ছোলা ও গম আমদানির জন্য ঋণ মঞ্জুর করা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগী ছিল নুরজাহান গ্রুপ ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেড। বেতনভোগী প্রতিনিধি মিজানুর রহমানকে ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন ও উত্তোলন করা হয়। শাখায় বেনামি হিসাব খোলা থেকে শুরু করে বিপুল অঙ্কের ঋণ অনুমোদন এবং শর্ত অমান্যের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অভিযোগ।






















