ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা মামলায় দুই আসামিকে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত


জুবায়ের শাহরিয়ার
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১১৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরে দোকানে ঢুকে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে (৪৭) গুলি করে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশের আবেদনের পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র এ আদেশ দেন।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন—মো. মনির হোসেন ওরফে সোহেল ওরফে পাতা সোহেল (৩০) এবং মো. সুজন ওরফে বুকপোড়া সুজন (৩৫)। ১৮ নভেম্বর রাতে সাভারের বিরুলিয়া এলাকা থেকে মনিরকে এবং একই রাতে টঙ্গীর মাজারবস্তি এলাকা থেকে সুজনকে র‍্যাব–৪ গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রাজনৈতিক কোন্দল ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পাতা সোহেলের বিরুদ্ধে হত্যা ও ডাকাতিসহ আটটি এবং সুজনের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জামাল উদ্দিন মার্জিন জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ হানিফ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চান। অপরদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে পিস্তল দিয়ে গুলি করে গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করেছে। ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, সহযোগীদের শনাক্ত ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের প্রয়োজনে তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

এ ঘটনায় নিহত কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা ১৮ নভেম্বর পল্লবী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও সাত–আটজনকে অজ্ঞাতনামা করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে পল্লবীর বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে ঢুকে জনি ভূঁইয়া, সোহাগ কালু ও রোকন কিবরিয়াকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। নির্দেশনা দেন সোহেল ও মাসুম। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হত্যার পর পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন জনিকে আটক করে, অন্যরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কিবরিয়া দোকানে ঢোকার দুই-তিন সেকেন্ডের মধ্যেই হেলমেট ও মুখোশ পরা তিন দুর্বৃত্ত দোকানে ঢুকে গুলি করা শুরু করে। একজনের পরনে পাঞ্জাবি এবং দুজনের গায়ে শার্ট ছিল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা মামলায় দুই আসামিকে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মিরপুরে দোকানে ঢুকে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে (৪৭) গুলি করে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশের আবেদনের পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র এ আদেশ দেন।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন—মো. মনির হোসেন ওরফে সোহেল ওরফে পাতা সোহেল (৩০) এবং মো. সুজন ওরফে বুকপোড়া সুজন (৩৫)। ১৮ নভেম্বর রাতে সাভারের বিরুলিয়া এলাকা থেকে মনিরকে এবং একই রাতে টঙ্গীর মাজারবস্তি এলাকা থেকে সুজনকে র‍্যাব–৪ গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রাজনৈতিক কোন্দল ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পাতা সোহেলের বিরুদ্ধে হত্যা ও ডাকাতিসহ আটটি এবং সুজনের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জামাল উদ্দিন মার্জিন জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ হানিফ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চান। অপরদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে পিস্তল দিয়ে গুলি করে গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করেছে। ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, সহযোগীদের শনাক্ত ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের প্রয়োজনে তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

এ ঘটনায় নিহত কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা ১৮ নভেম্বর পল্লবী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও সাত–আটজনকে অজ্ঞাতনামা করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে পল্লবীর বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে ঢুকে জনি ভূঁইয়া, সোহাগ কালু ও রোকন কিবরিয়াকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। নির্দেশনা দেন সোহেল ও মাসুম। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হত্যার পর পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন জনিকে আটক করে, অন্যরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কিবরিয়া দোকানে ঢোকার দুই-তিন সেকেন্ডের মধ্যেই হেলমেট ও মুখোশ পরা তিন দুর্বৃত্ত দোকানে ঢুকে গুলি করা শুরু করে। একজনের পরনে পাঞ্জাবি এবং দুজনের গায়ে শার্ট ছিল।