প্রাথমিকে দ্বিতীয় ধাপে ৩ লাখ ৩৪ হাজার আবেদন, শিক্ষকের একটি পদে লড়বেন ৮০ প্রার্থী
- আপডেট সময় : ০১:১১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২০৮৫ বার পড়া হয়েছে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপেও প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য গত ১২ নভেম্বর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি। এই ধাপে মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৪ হাজার ১৬৬, অর্থাৎ প্রতি পদের জন্য প্রায় ৮০ জনেরও বেশি প্রার্থী প্রতিযোগিতা করবেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই ধাপের আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ২৭ নভেম্বর শেষ হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষার পর প্রাথমিক শিক্ষায় বড় পরিসরে জনবল নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হলো। ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী ১৩তম গ্রেডের এই পদে বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
এর আগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপে (রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখানেও প্রতিটি পদের জন্য প্রায় ৭৩ জন প্রার্থী লড়েছিলেন।
চলতি বছরের ২৮ আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে কিছু সংশোধনের মাধ্যমে ২ নভেম্বর এটি পুনঃপ্রকাশিত হয়। সংশোধিত বিধিমালায় শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দের পরিবর্তে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্তত’ শব্দগুচ্ছ সংযোজন করা হয়েছে, যাতে বিজ্ঞান বিভাগের প্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগে অগ্রাধিকার পান।
নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩১ আগস্ট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চেয়ারম্যান করে আট সদস্যের ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রতিনিধিরাও রয়েছেন।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, সহকারী ও প্রধান শিক্ষক—উভয় পদে সরাসরি নিয়োগে প্রার্থীদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনে কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদনের বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে প্রধান শিক্ষক পদের ৮০% পূরণ করা হবে পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০% হবে সরাসরি নিয়োগ। পদোন্নতির জন্য সহকারী শিক্ষকদের অন্তত ১২ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা, মৌলিক প্রশিক্ষণ ও চাকরি স্থায়ীকরণ সম্পন্ন থাকতে হবে।


























