নেতানিয়াহু মামদানিকে চ্যালেঞ্জ জানালেন, নিউইয়র্ক সফরের ঘোষণা।
- আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২০৯৩ বার পড়া হয়েছে
গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-এর পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্ক সফরের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে নবনির্বাচিত নিউইয়র্ক সিটি মেয়র জোহরান মামদানি আইসিসির পরোয়ানা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামের এক ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেছেন, “হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।” মামদানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইবেন কি না জানতে চাইলে তিনি যোগ করেন, “যদি তিনি আমাদের রাষ্ট্র হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকার স্বীকার করেন, সেক্ষেত্রে আলোচনা শুরু করা সম্ভব।”
৩৪ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট নেতা জোহরান মামদানি গত নভেম্বরের নির্বাচনে সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমোকে পরাজিত করে নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনের আগে এবং পরে তিনি একাধিকবার ইসরাইলের অস্তিত্বের অধিকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন, তবে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলের অধিকারকে ধর্মভিত্তিক নাগরিকত্ব কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি।
মেয়র নির্বাচনের পর মামদানি জানিয়েছেন, আইসিসির পরোয়ানাভুক্ত যেকোনো নেতাকে গ্রেফতারে নিউইয়র্ক পুলিশকে অনুমতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তিনি রাখবেন। নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন—যে কোনো ব্যক্তিই হোক।
হেগভিত্তিক আইসিসি গত বছর জানিয়েছে, গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার গণহত্যার ঘটনায় নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। তবে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া আইসিসির সদস্য নয়। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরাইলকে সমর্থন জানিয়ে আইসিসির বিরুদ্ধে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।
ইসরাইলি জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ নিউইয়র্কে বসবাস করে এবং এই শহরেই জাতিসংঘের সদর দফতর অবস্থিত, যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের নেতাদের মতো নেতানিয়াহুও নিয়মিত অংশ নেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজারের বেশি, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৭১ হাজার মানুষ।



























