ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সদস্যদের মধ্যেই কেউ কেউ মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত; কেউ ডুপ্লেক্স বাড়ি কিনেছেন, কেউ হোটেল ব্যবসায় নিয়োজিত।


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১৬১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামে মাদক পাচারের অভিযোগে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার এসআই মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল মহিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর মিজানুরকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৮ হাজার ইয়াবা বড়িসহ গ্রেপ্তার করা হয়। অপর দিকে, মহিবুরকে ১২ অক্টোবর যশোরে ১০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য মাদক পাচারের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। অভ্যন্তরীণ তদন্তে মিজানুরসহ শহিদুলের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। এর পর শহিদুলকে রেলওয়ে পুলিশ লাইনসে বদলি করা হয়েছে।

ছবি : উদ্ধারকৃত ইয়াবা

অভিযোগ রয়েছে, মাদক বিক্রির টাকায় শহিদুল ইসলামের চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে পাঁচতলা বাড়ি ও আনোয়ারার গ্রামের বাড়ি, জমিসহ বিপুল সম্পদ হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের অন্যান্য সদস্যরাও মাদক নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় নাম উল্লেখ না করা হয়েছে। তবে বিভাগীয় তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এসআই দস্তগির হোসেন ও আরব আলীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ইয়াবা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। দস্তগির হোসেনের গ্রামের বাড়িতে ডুপ্লেক্স নির্মাণ ও কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল রয়েছে। তিনি এসব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত বা পারিবারিক হিসাব দাবি করেন।

রেলস্টেশনে মাদক প্রতিরোধে স্ক্যানার বসানো হলেও জনবল ও নজরদারির অভাবে তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। এই সমস্যা সমাধানে কক্সবাজারে নতুন রেলওয়ে থানার সুপারিশ করা হয়েছে।

সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, “মাদকের সঙ্গে পুলিশ সদস্য জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রেপ্তার জরুরি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

পুলিশ সদস্যদের মধ্যেই কেউ কেউ মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত; কেউ ডুপ্লেক্স বাড়ি কিনেছেন, কেউ হোটেল ব্যবসায় নিয়োজিত।

আপডেট সময় : ০১:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামে মাদক পাচারের অভিযোগে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার এসআই মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল মহিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর মিজানুরকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৮ হাজার ইয়াবা বড়িসহ গ্রেপ্তার করা হয়। অপর দিকে, মহিবুরকে ১২ অক্টোবর যশোরে ১০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য মাদক পাচারের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। অভ্যন্তরীণ তদন্তে মিজানুরসহ শহিদুলের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। এর পর শহিদুলকে রেলওয়ে পুলিশ লাইনসে বদলি করা হয়েছে।

ছবি : উদ্ধারকৃত ইয়াবা

অভিযোগ রয়েছে, মাদক বিক্রির টাকায় শহিদুল ইসলামের চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে পাঁচতলা বাড়ি ও আনোয়ারার গ্রামের বাড়ি, জমিসহ বিপুল সম্পদ হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের অন্যান্য সদস্যরাও মাদক নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় নাম উল্লেখ না করা হয়েছে। তবে বিভাগীয় তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এসআই দস্তগির হোসেন ও আরব আলীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ইয়াবা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। দস্তগির হোসেনের গ্রামের বাড়িতে ডুপ্লেক্স নির্মাণ ও কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল রয়েছে। তিনি এসব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত বা পারিবারিক হিসাব দাবি করেন।

রেলস্টেশনে মাদক প্রতিরোধে স্ক্যানার বসানো হলেও জনবল ও নজরদারির অভাবে তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। এই সমস্যা সমাধানে কক্সবাজারে নতুন রেলওয়ে থানার সুপারিশ করা হয়েছে।

সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, “মাদকের সঙ্গে পুলিশ সদস্য জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রেপ্তার জরুরি।