ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

আইআরজিসি জানায়: মোসাদের সদর দফতরে ইরানের হামলায় ৩৬ জন নিহত


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১০২ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের সময় ইরানের সামরিক কৌশল ও প্রতিক্রিয়ার রূপরেখা তুলে ধরেছেন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী-মোহাম্মদ নায়েনি। তিনি বলেছেন, তেহরানের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল তাৎক্ষণিক এবং সমন্বিত।

নায়েনির বরাতে ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে ইরান দুটি পৃথক হামলায় হাইফার শোধনাগার লক্ষ্য করে। ইসরায়েলি সূত্রও এই হামলাকে ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মাস্টারপিস’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ইসরায়েল একটি ইরানি গোয়েন্দা কেন্দ্রে হামলা চালালে ইরান মোসাদের একটি সাইটে প্রতিশোধ নেয়, যেখানে ৩৬ জন নিহত হন। ‘ট্রু প্রমিজ ৩’ নামে পরিচিত এই অভিযান সংঘাত শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হয় এবং এতে ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, সাইবার অভিযান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বয় ছিল।

নায়েনি বলেন, ইরান পূর্ণ গোয়েন্দা আধিপত্য এবং বিস্তৃত তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সংঘাতে প্রবেশ করেছিল। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের নির্ভুল সক্ষমতার কারণে ইসরায়েলের সামরিক ও গোয়েন্দা হতাহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।

প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১৩ জুন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের পারমাণবিক আলোচনার প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করে, যার ফলে ১২ দিনের সংঘাত চলে। এই সময় অন্তত ১,০৬৪ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ছিলেন সামরিক কমান্ডার, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং বেসামরিক নাগরিক।

আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। জবাবে, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত অঞ্চল ও কাতারে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

আইআরজিসি জানায়: মোসাদের সদর দফতরে ইরানের হামলায় ৩৬ জন নিহত

আপডেট সময় : ০১:১৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের সময় ইরানের সামরিক কৌশল ও প্রতিক্রিয়ার রূপরেখা তুলে ধরেছেন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী-মোহাম্মদ নায়েনি। তিনি বলেছেন, তেহরানের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল তাৎক্ষণিক এবং সমন্বিত।

নায়েনির বরাতে ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে ইরান দুটি পৃথক হামলায় হাইফার শোধনাগার লক্ষ্য করে। ইসরায়েলি সূত্রও এই হামলাকে ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মাস্টারপিস’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ইসরায়েল একটি ইরানি গোয়েন্দা কেন্দ্রে হামলা চালালে ইরান মোসাদের একটি সাইটে প্রতিশোধ নেয়, যেখানে ৩৬ জন নিহত হন। ‘ট্রু প্রমিজ ৩’ নামে পরিচিত এই অভিযান সংঘাত শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হয় এবং এতে ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, সাইবার অভিযান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বয় ছিল।

নায়েনি বলেন, ইরান পূর্ণ গোয়েন্দা আধিপত্য এবং বিস্তৃত তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সংঘাতে প্রবেশ করেছিল। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের নির্ভুল সক্ষমতার কারণে ইসরায়েলের সামরিক ও গোয়েন্দা হতাহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।

প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১৩ জুন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের পারমাণবিক আলোচনার প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করে, যার ফলে ১২ দিনের সংঘাত চলে। এই সময় অন্তত ১,০৬৪ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ছিলেন সামরিক কমান্ডার, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং বেসামরিক নাগরিক।

আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। জবাবে, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত অঞ্চল ও কাতারে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে।