পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল রায়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শুনানি নির্বাচন পরবর্তী সময়ে শুরু হবে।
- আপডেট সময় : ১২:৩১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২০৮৮ বার পড়া হয়েছে
বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি ধারাকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের চূড়ান্ত শুনানি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘১৫ বছরের জঞ্জাল আমরা সরিয়েছি ১৬ মাসে।’
২০১১ সালের ৩০ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বিভিন্ন পরিবর্তন এনে সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন। এতে মোট ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গত বছর এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি পৃথক রিট দায়ের করা হয়। একটি রিট করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদকসহ পাঁচ ব্যক্তি, আরেকটি নওগাঁর মো. মোফাজ্জল হোসেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন।
হাইকোর্টের রায়ে পঞ্চদশ সংশোধনীর ২০ ও ২১ ধারা—যেগুলো তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বিলোপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট—সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ ও ৪৪(২) অনুচ্ছেদও বাতিল ঘোষণা করা হয়। তবে গণভোটের বিধানসংক্রান্ত ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। সংশোধনী পুরোপুরি বাতিল না করে বাকি ধারাগুলোর বিষয়ে সংসদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এই রায়ের বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক আপিল করা হয়—সুজন সম্পাদকসহ চার ব্যক্তি একটি, মো. মোফাজ্জল হোসেন একটি এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আরেকটি। ৩ ডিসেম্বর আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং ৪, ৭, ৮ ও ১০ ডিসেম্বরও শুনানি চলে। বদিউল আলম মজুমদারসহ চার আবেদনকারীর পক্ষে শুরুতে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া।


























