ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত, ৩৫ ফুট গভীরেও মিলেছে না শিশু সাজিদের সন্ধান।


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১১৯ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশু সাজিদকে উদ্ধারে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান চলছে। তবে ৩৫ ফুট গভীর খুঁড়ে বানানো সমান্তরাল গর্তেও শিশুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শিশু সাজিদকে উদ্ধার করতে নলকূপের পাশে এস্কেভেটর ব্যবহার করে প্রায় ৩৫ ফুট গভীর একটি বড় গর্ত খোঁড়া হয়েছে। সুড়ঙ্গ তৈরি করে মূল গর্তে প্রবেশের চেষ্টা করা হলেও এখনও শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ ক্যামেরা নামিয়ে শিশুর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তা আটকে যায় এবং সাজিদ দেখা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, শিশুটি নলকূপের আরও গভীরে আটকা থাকতে পারে।

রাজশাহীর সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম জানিয়েছেন, নলকূপটির গভীরতা ১৫০ থেকে ২০০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এ অবস্থায় উদ্ধার কৌশল পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন মহাপরিচালক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরবর্তী প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবেন এবং প্রয়োজনে আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

দুর্ঘটনা বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট গ্রামে ঘটে। সাজিদ তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের খড়ঢাকা জমি পার হচ্ছিল। হঠাৎ খড় সরাতে গিয়ে সে নলকূপের গর্তে পড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, গত বছর গর্তটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দেয়া হয়েছিল। কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বা ঢাকনা না থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাস্থলে হাজারো লোক ভিড় করেছেন। শিশুর মা এখানে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন, আশায় ভর করে দোয়া করছেন। যদিও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না, ফায়ার সার্ভিস ভেতরে অক্সিজেন সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। মেডিকেল টিম ও স্থানীয় প্রশাসনও সেখানে উপস্থিত আছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সাজিদকে অক্ষত ও জীবিত উদ্ধার করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য এবং সেই অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত, ৩৫ ফুট গভীরেও মিলেছে না শিশু সাজিদের সন্ধান।

আপডেট সময় : ০১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশু সাজিদকে উদ্ধারে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান চলছে। তবে ৩৫ ফুট গভীর খুঁড়ে বানানো সমান্তরাল গর্তেও শিশুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শিশু সাজিদকে উদ্ধার করতে নলকূপের পাশে এস্কেভেটর ব্যবহার করে প্রায় ৩৫ ফুট গভীর একটি বড় গর্ত খোঁড়া হয়েছে। সুড়ঙ্গ তৈরি করে মূল গর্তে প্রবেশের চেষ্টা করা হলেও এখনও শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ ক্যামেরা নামিয়ে শিশুর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তা আটকে যায় এবং সাজিদ দেখা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, শিশুটি নলকূপের আরও গভীরে আটকা থাকতে পারে।

রাজশাহীর সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম জানিয়েছেন, নলকূপটির গভীরতা ১৫০ থেকে ২০০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এ অবস্থায় উদ্ধার কৌশল পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে। ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন মহাপরিচালক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরবর্তী প্রক্রিয়া নির্ধারণ করবেন এবং প্রয়োজনে আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

দুর্ঘটনা বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট গ্রামে ঘটে। সাজিদ তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের খড়ঢাকা জমি পার হচ্ছিল। হঠাৎ খড় সরাতে গিয়ে সে নলকূপের গর্তে পড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, গত বছর গর্তটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দেয়া হয়েছিল। কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বা ঢাকনা না থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাস্থলে হাজারো লোক ভিড় করেছেন। শিশুর মা এখানে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন, আশায় ভর করে দোয়া করছেন। যদিও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না, ফায়ার সার্ভিস ভেতরে অক্সিজেন সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। মেডিকেল টিম ও স্থানীয় প্রশাসনও সেখানে উপস্থিত আছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সাজিদকে অক্ষত ও জীবিত উদ্ধার করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য এবং সেই অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।