ওসমান হাদির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধান উপদেষ্টা, উন্নত চিকিৎসার আশ্বাস
- আপডেট সময় : ০১:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২০৭৭ বার পড়া হয়েছে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন ওসমান হাদির ভাই আবু বকর সিদ্দীক, বোন মাসুমা এবং ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা—আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা ও মো. বোরহান উদ্দিন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ওসমান হাদির সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজন হলে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হবে। তিনি বলেন, “সারাদেশ তার জন্য দোয়া করছে। সরকার তার চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি রাখবে না।”
ওসমান হাদির বোন মাসুমা বলেন, ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন হাদি। বিদ্রোহী কবিতা তার খুব প্রিয় ছিল এবং তিনি নিয়মিত আবৃত্তি করতেন। তিনি বলেন, “তার একটি ১০ মাসের সন্তান আছে। হাদি আমাদের পরিবারের মেরুদণ্ড। ওর আরও অনেক কাজ বাকি—ওকে বেঁচে থাকতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা বিপ্লবী সরকার। যে করেই হোক জুলাই বিপ্লবীদের রক্ষা করতে হবে। তা না হলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।”
দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “৫ আগস্টের পর অনেকে বাসায় ফিরে গেলেও ওসমান হাদি ফেরেনি। সে জুলাই বিপ্লবকে ধারণ করত এবং দিনরাত কাজ করত। যে ব্যক্তি তাকে গুলি করেছে, সে আগে একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিল—কীভাবে সে জামিন পেল, তা তদন্ত করা জরুরি।”
জুলাই যোদ্ধাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান ইনকিলাব মঞ্চের আরেক নেতা ফাতিমা তাসনিম জুমা।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই নৃশংস হামলার সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে চিহ্নিত করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য ইতোমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
সাক্ষাৎকালে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।




























