ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পটুয়াখালীর ৪৪টি জলমহাল ইজারার জন্য অনুপযুক্ত—ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১১৭ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

পটুয়াখালী জেলার ৪৪টি জলমহাল জনস্বার্থ ও পরিবেশ সংরক্ষণের কারণে ইজারাযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করেছেন ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি বলেন, নদী, হাওর, বাওড়, বিল ও খাল কেবল মাছ উৎপাদনের উৎস নয়; এগুলো স্থানীয় মানুষের কৃষিকাজ, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও পরিবেশগত ভারসাম্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

আজ (সোমবার) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে ‘উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৮৮তম সভায়’ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, পটুয়াখালীর এসব জলমহালের পানি প্রবাহমান এবং স্লুইজগেট ও বাঁধ রয়েছে, যা সুনিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালিত হবে। ইজারা বর্হিভূত জলমহাল থেকে কেউই মাছ ধরা বা সেচের জন্য পানি নিতে পারবেন। কোনো ধরনের প্রভাব গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সম্পদ। তাই জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে জলমহাল ইজারা ব্যবস্থা বন্ধ করে রাষ্ট্রকে একটি টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার দিকে এগোতে হবে। আগামী তিন বছর এই প্রক্রিয়া মনিটরিং করা হবে।

জেলায় মোট ১৪৮টি জলমহালের মধ্যে ৪৪টি ইজারাযোগ্য নয়, একটি মামলা রয়েছে, ৯৪টির ইজারা প্রক্রিয়াধীন এবং ৯টির ইজারা চলমান রয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত সচিব(প্রশাসন) মোঃ রায়হান কাওছার, অতিরিক্ত সচিব(উন্নয়ন) মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

সভা শেষে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন’ বিষয়ক আলোকচিত্র ও আলোচনাসভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

পটুয়াখালীর ৪৪টি জলমহাল ইজারার জন্য অনুপযুক্ত—ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

আপডেট সময় : ০৪:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালী জেলার ৪৪টি জলমহাল জনস্বার্থ ও পরিবেশ সংরক্ষণের কারণে ইজারাযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করেছেন ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি বলেন, নদী, হাওর, বাওড়, বিল ও খাল কেবল মাছ উৎপাদনের উৎস নয়; এগুলো স্থানীয় মানুষের কৃষিকাজ, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও পরিবেশগত ভারসাম্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

আজ (সোমবার) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে ‘উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৮৮তম সভায়’ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, পটুয়াখালীর এসব জলমহালের পানি প্রবাহমান এবং স্লুইজগেট ও বাঁধ রয়েছে, যা সুনিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালিত হবে। ইজারা বর্হিভূত জলমহাল থেকে কেউই মাছ ধরা বা সেচের জন্য পানি নিতে পারবেন। কোনো ধরনের প্রভাব গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সম্পদ। তাই জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে জলমহাল ইজারা ব্যবস্থা বন্ধ করে রাষ্ট্রকে একটি টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার দিকে এগোতে হবে। আগামী তিন বছর এই প্রক্রিয়া মনিটরিং করা হবে।

জেলায় মোট ১৪৮টি জলমহালের মধ্যে ৪৪টি ইজারাযোগ্য নয়, একটি মামলা রয়েছে, ৯৪টির ইজারা প্রক্রিয়াধীন এবং ৯টির ইজারা চলমান রয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত সচিব(প্রশাসন) মোঃ রায়হান কাওছার, অতিরিক্ত সচিব(উন্নয়ন) মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

সভা শেষে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন’ বিষয়ক আলোকচিত্র ও আলোচনাসভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার উপস্থিত ছিলেন।