ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন
সারাদেশ

এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার ৭১এর ঘাতকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো: রুহিন হোসেন প্রিন্স


নিজস্ব প্রতিবেদ :
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১৫০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ৫৪ বছর পরে বিশেষ করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান উত্তর বাংলাদেশে উচ্ছ্বাস নিয়ে বিজয় দিবস পালন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা ক্ষোভের সঙ্গে বলতে চাচ্ছি, স্বাধীনতার বিরোধী শক্তির আস্ফালনের মধ্যেই আমাদের এই বিজয় উৎসব পালন করতে হচ্ছে। তবে এই জাতীয় স্মৃতিসৌধে দাঁড়িয়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশের মানুষ তারা প্রকৃতপক্ষে বিজয় উল্লাস করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আমাদের কোনোভাবেই পিছু হটাতে পারবে না। আপনারা দেখেছেন, ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম ৭১ এর ঘাতকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রিন্স বলেন, এইবার ২৫ এর বিজয় দিবসে আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার হবে এই ঘাতকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো একইসাথে ৫৪ বছরের বাংলাদেশে আমরা মুক্তিযুদ্ধ যখন ঘোষণা করেছিলাম, এই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছিল, আমরা সাম্যের, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের সমাজ চাই। ৭২ এর সংবিধানে অনেক ত্রুটি ছিল, কিন্তু তার অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র ছিল। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক সাম্যের বাংলাদেশ চাই। ৫৪ বছরে ক্ষমতাসীনরা এটা করতে পারে নাই।

তিনি বলেন, আমাদের নতুন করে আবার মুক্তিযুদ্ধের পূনর্চেতনায় জাগ্রত হয়ে এই পথে যেতে হবে। সেই পথে যাওয়ার জন্য একটা অন্যতম পথ হলো চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান উত্তর বাংলাদেশে আমাদের একটা অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথে হাঁটা। আমরা লক্ষ্য করছি, এই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য নানা মহল নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে। আমরা আজকের এই মহান বিজয় দিবসে সরকারকে নির্বাচন কমিশনকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনৈতিক সচেতন দেশবাসীকে আহ্বান জানাবো, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ যাতে পথ না হারায়।

তিনি আরও বলেন, আসেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জাগ্রত রেখে ৯০ এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খাকে সামনে নিয়ে আগামীতে ফেব্রুয়ারিতে যথাসময়ে যাতে অবাধ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়, সেই পথে আমরা এগিয়ে যাই। এরমধ্য দিয়ে আমরা ৭১ এর ঘাতক মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিকে যেমন রুখে দাঁড়াতে পারবো। একইসাথে গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক শোষনমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো।

এসময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সারাদেশ

এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার ৭১এর ঘাতকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো: রুহিন হোসেন প্রিন্স

আপডেট সময় : ০২:২২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ৫৪ বছর পরে বিশেষ করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান উত্তর বাংলাদেশে উচ্ছ্বাস নিয়ে বিজয় দিবস পালন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা ক্ষোভের সঙ্গে বলতে চাচ্ছি, স্বাধীনতার বিরোধী শক্তির আস্ফালনের মধ্যেই আমাদের এই বিজয় উৎসব পালন করতে হচ্ছে। তবে এই জাতীয় স্মৃতিসৌধে দাঁড়িয়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশের মানুষ তারা প্রকৃতপক্ষে বিজয় উল্লাস করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আমাদের কোনোভাবেই পিছু হটাতে পারবে না। আপনারা দেখেছেন, ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম ৭১ এর ঘাতকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রিন্স বলেন, এইবার ২৫ এর বিজয় দিবসে আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার হবে এই ঘাতকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো একইসাথে ৫৪ বছরের বাংলাদেশে আমরা মুক্তিযুদ্ধ যখন ঘোষণা করেছিলাম, এই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছিল, আমরা সাম্যের, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের সমাজ চাই। ৭২ এর সংবিধানে অনেক ত্রুটি ছিল, কিন্তু তার অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র ছিল। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক সাম্যের বাংলাদেশ চাই। ৫৪ বছরে ক্ষমতাসীনরা এটা করতে পারে নাই।

তিনি বলেন, আমাদের নতুন করে আবার মুক্তিযুদ্ধের পূনর্চেতনায় জাগ্রত হয়ে এই পথে যেতে হবে। সেই পথে যাওয়ার জন্য একটা অন্যতম পথ হলো চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান উত্তর বাংলাদেশে আমাদের একটা অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথে হাঁটা। আমরা লক্ষ্য করছি, এই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য নানা মহল নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে। আমরা আজকের এই মহান বিজয় দিবসে সরকারকে নির্বাচন কমিশনকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনৈতিক সচেতন দেশবাসীকে আহ্বান জানাবো, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ যাতে পথ না হারায়।

তিনি আরও বলেন, আসেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জাগ্রত রেখে ৯০ এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খাকে সামনে নিয়ে আগামীতে ফেব্রুয়ারিতে যথাসময়ে যাতে অবাধ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়, সেই পথে আমরা এগিয়ে যাই। এরমধ্য দিয়ে আমরা ৭১ এর ঘাতক মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিকে যেমন রুখে দাঁড়াতে পারবো। একইসাথে গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক শোষনমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো।

এসময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।