নাশকতার অভিযোগে মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতার বিরুদ্ধে মামলা থেকে অব্যাহতি’
- আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২১০৭ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর পল্টন ও শাহজাহানপুর থানায় ২০১৩ সালের নাশকতা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানসহ ৪৫ জনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত দেন। মির্জা আব্বাসের আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিক ও মহিউদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আইনজীবীদের বরাতে জানা গেছে, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানার মামলায় চার্জগঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। তারা অব্যাহতির আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেছেন।
অব্যাহতির সুবিধাভোগীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম নিরব, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম, ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ।
পল্টন থানার মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের ১ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মিছিল করে শান্তিনগরের দিকে অগ্রসর হয়। তারা শান্তিনগর ক্রসিংয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, যানবাহন ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেয়। পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে পাঁচটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
শাহজাহানপুর থানার মামলায় বলা হয়, একই দিনে বিএনপির ১৫০–২০০ নেতাকর্মী মালিবাগ এলাকায় মিছিল করার সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করে এবং পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।
উভয় মামলায় উচ্চ আদালত আগেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদকে অব্যাহতি দিয়েছেন।




























