ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

বছরজুড়ে মালয়েশিয়ার অভিযানে ১১ হাজার ১০৫ বাংলাদেশিসহ ৯০ হাজার আটক।


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২০৯৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বছরব্যাপী পরিচালিত ধারাবাহিক চিরুনি অভিযানে বাংলাদেশসহ ৯০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

চলতি বছরের শুরু থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত ১৩ হাজার ৬৭৮টি অভিযানে মোট ৯০ হাজার ৮২৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) লোকমান এফেন্দি রামলি।

বিবৃতিতে জানানো হয়, এ সময় মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪৩ জন বিদেশি নাগরিককে তল্লাশি করা হয়েছে। এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) কার্ডধারী ৫ হাজার ২৯৪ জনও শনাক্ত হন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরাসরি অভিযানে আটক হন ৫০ হাজার ৪৭২ জন এবং প্রবেশপথ ও অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে আটক হন আরও ৪১ হাজার ৩৫৭ জন।

আটককৃতদের মধ্যে সর্বাধিক ১৫ হাজার ৩৮৫ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ১১ হাজার ১০৫ জন বাংলাদেশি। এ ছাড়া মিয়ানমারের ৯ হাজার ৭৮৯ জন, ফিলিপিন্সের ৪ হাজার ৩৬৫ জন এবং পাকিস্তানের ২ হাজার ৪৭৯ জন নাগরিক রয়েছেন। তালিকায় ভারত, থাইল্যান্ড, চীন, ভিয়েতনাম ও নেপালের নাগরিকরাও অন্তর্ভুক্ত।

অভিযানে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া ও অবৈধভাবে কাজে নিয়োগের অভিযোগে দুই হাজারেরও বেশি নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মালয়েশীয় নাগরিক ২ হাজার ১২ জন, বাংলাদেশি ৩৪ জন এবং ইন্দোনেশীয় ২১ জন।

লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মূলত বৈধ নথিপত্র বা পাসপোর্ট না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা এবং ওয়ার্ক পারমিটের অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জনসাধারণের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ কর্মী নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বছরজুড়ে মালয়েশিয়ার অভিযানে ১১ হাজার ১০৫ বাংলাদেশিসহ ৯০ হাজার আটক।

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মালয়েশিয়ায় বছরব্যাপী পরিচালিত ধারাবাহিক চিরুনি অভিযানে বাংলাদেশসহ ৯০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

চলতি বছরের শুরু থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত ১৩ হাজার ৬৭৮টি অভিযানে মোট ৯০ হাজার ৮২৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) লোকমান এফেন্দি রামলি।

বিবৃতিতে জানানো হয়, এ সময় মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪৩ জন বিদেশি নাগরিককে তল্লাশি করা হয়েছে। এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) কার্ডধারী ৫ হাজার ২৯৪ জনও শনাক্ত হন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরাসরি অভিযানে আটক হন ৫০ হাজার ৪৭২ জন এবং প্রবেশপথ ও অন্যান্য সংস্থার মাধ্যমে আটক হন আরও ৪১ হাজার ৩৫৭ জন।

আটককৃতদের মধ্যে সর্বাধিক ১৫ হাজার ৩৮৫ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ১১ হাজার ১০৫ জন বাংলাদেশি। এ ছাড়া মিয়ানমারের ৯ হাজার ৭৮৯ জন, ফিলিপিন্সের ৪ হাজার ৩৬৫ জন এবং পাকিস্তানের ২ হাজার ৪৭৯ জন নাগরিক রয়েছেন। তালিকায় ভারত, থাইল্যান্ড, চীন, ভিয়েতনাম ও নেপালের নাগরিকরাও অন্তর্ভুক্ত।

অভিযানে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া ও অবৈধভাবে কাজে নিয়োগের অভিযোগে দুই হাজারেরও বেশি নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মালয়েশীয় নাগরিক ২ হাজার ১২ জন, বাংলাদেশি ৩৪ জন এবং ইন্দোনেশীয় ২১ জন।

লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মূলত বৈধ নথিপত্র বা পাসপোর্ট না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা এবং ওয়ার্ক পারমিটের অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জনসাধারণের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ কর্মী নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।